চাঁদের ম্রিয়মান আলোয় শেষে জেগে উঠছে ভোর
পূর্ণিমার চাঁদ ক্রমশ মিলিয়ে যাচ্ছে ভোরের আলোয়
সারারাত জ্যোৎস্না ধোয়া জলে স্নান করছে সবুজ বনানী
কজন মানুষ রাত জেগে জ্যোৎস্নার আলো উপভোগ করবে!


ক্ষয়ে যাওয়া সভ্যতার হাতে সঁপে দিয়েছি জীবনের দলিল
বঞ্চিত ক্ষুধার্ত মানুষের পাণ্ডুলিপি জমা আছে মহাজনের কাছে
ঋণ শোধ না হওয়া পর্যন্ত মুক্তি নেই এই সভ্য দেশেও
ক্রীতদাসের মত দাসক্ষত লিখে দিতে হয় মহাজনের জিম্মায়!


অন্ধকার ঘরের মেঝেতে শুয়ে পড়ে গরীব অসহায় মানুষ
ভাঙা চালের ফাঁক দিয়ে দেখা যায় চাঁদের মরমী আলো
তবুও ওরা টের পায় না ওদের মত্যু কবর কবেই খোলা আছে!


রাত ভোর হয়ে আসে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে
ক্রীতদাসের জীবন থেকে মুক্তির পথ কেউ জানে না
তবুও বেঁচে থাকতে হবে সভ্যতার উল্লাস দেখতে দেখতে ...


ঠাণ্ডা ঘরে বসে মহাজন মিলিয়ে চলে দলিলের হিসাব
রক্ত উঠছে গলা দিয়ে তবুও কাজ করতেই হবে
দাসক্ষত যে লেখা হয়ে গেছে বহুযুগ আগে থেকেই!


          ******