প্রাণেরতরী-৬৪


ঠাকুর বিশ্বরাজ গোস্বামী


প্রাণেরতরী পেয়ে, হয়েছি নব্য নেয়ে
পুলকে তরী বেয়ে, হৃদয়ে সুখ পাই
গতকে গেছি ভুলে,
দুপুর বেলা ছুঁলে, মাতালি সুরা খাই
আমি-কে ভুলে যাই , শখের পাল তুলে।


গাঙ্গে ডাকলে বান, ভরেছি তরীখান
জলবেণীর গান, রেতবেগের রাগে
তরঙ্গ আরো জলে,
উঠছে দলে দলে, বাতাস ভারি লাগে
ঝড়ো মেঘেরবাগে, বিদ্যুতখেলা চলে।


রবিরবসনাতে, মেঘেরা আড়িপাতে
সূরকে খাবে রাতে, ঠিক  এমন ক্ষণে
ঝড়টা বেগে ছাড়ে,
সন্ধ্যানোদির পাড়ে, করি বাঁচার রণ
নেই আপন জন, তরীর দু'টি দাড়ে।


সুজনে তরীখান, নোদিতে পেয়ে বান
পুলকে গেয়ে গান,  নিমিষে গেছে কূলে
ডেকেছি বহুবার,
চলছে তরী তার, ফেরেনি কেউ ভুলে
অ-গোনে তরী খুলে, গোন পেলানা আর।


নিজ কাজের ফলে , ডুবছি নোনা জলে
যারা আমার দলে, তারা নেই-তো আর
দেখছি সন্ধ্যাদেশ,
হৃদয়ে যমরেশ, কেমনে পাবো পার
করছি আপনার, প্রাণেরতরী শেষ।