আষাঢ়ের ঘনমেঘ মেশে নীলিমায়-
সহজযৌবন সাথে বধূটির মন!
সবুজপ্রকৃতি মাঝে বাজিয়ে মাদল
চেয়ে চেয়ে বেলা কাটে রাঙাতনু 'পরে;
কেটেছে প্রহর কত কথাকলি বেলা
সে চোখের তীরে ছিল নীরব মোহনা।


বসে আছে বধূ বেশে পূর্ণিমা মোহনা
সব বেশ খুলে দেয় কথা নীলিমায়!
চোখের তারায় যেন কেটে গেছে বেলা-
কখনও হারিয়ে ফেলি চিরায়ত মন;
আবেগের ছবি দেখি সীমানার 'পরে-
সেখানে নীরবে বাজে প্রণয়মাদল।


হেসে হেসে কথা বলে জোয়ারে মাদল
হাওয়াতে উড়িছে চুল ললাটে মোহনা-
কত কথা লেখা আছে বদনের 'পরে-
নিজেকে হারিয়ে ফেলি আঁখি নীলিমায়;
বসে থাকি ভয়ে ভয়ে অপরাধী মন
দুই চোখে চেয়ে যেন কেটে যায় বেলা।


এমন মধুর দিনে অযাচিত বেলা
হৃদয়ে বাজিছে যেন গোপনমাদল!
আঁচলেতে হাত রাখো সোহাগের মন
কখনও হেলিয়া তুমি দেখালে মোহনা;
সবুজরাতের তারা তব নীলিমায়-
আমাকে শেখালে সবই দিবসের 'পরে।


চিরশুভ্র দেহখানি আপনার 'পরে
রাঙাঠোঁটে হাসি দেখি সোহাগের বেলা-
তোমার পরশ মেশে রূপ নীলিমায়
ওই বুকে বাজে দেখি রজনিমাদল;
আমার সকল সুখ চেয়েছে মোহনা
কোথা যেন মিশে যায় দুজনার মন।


তোমাকে দেখিয়া প্রিয় ভরিয়েছি মন
এ দেখায় ভেবে যাব প্রতি যুগ 'পরে-
রচিত তোমায় নিয়ে কবিতা মোহনা
গোপনে কাটাব রাত সারাদিন বেলা;
নিশিতে বাজিবে চোখে আড়ালে মাদল
ভাসিব আবার দোহে দূর নীলিমায়।


না চাহিতে এ মোহনা ডুবিয়েছে মন!
ভেসে গেছি নীলিমায় আঁখি সুধা 'পরে-
আষাঢ়ের সারাবেলা বাজিয়ে মাদল।
          --------
# সেসটিনা।