কিছুটা সময় মন ছিল ব্রুহ্মপুত্রের তীড়ে
নদী বিধৌত এলাকায় বানভাসীদের ভীড়ে।
না পারলেও,কিছু করতে মন ভীষন কাদে
নাড়া দেয় হৃদয়,পাশে থাকার নিরন্তর ক্ষিদে।
>খরস্রোতে ভেসে গেছে জীবনের জয়গান
ছুটে যাই তাদের পাশে একসুত্রে গাইতে গান।
কারো ঘরের ভিটে নেই ,নেই এক কাঠা জমি
হতাশায় ছলছলে চোখজোড়ায় নেই মান সম্মান।
>হাটা পথের চারিপাশে শুকনো মুখের হাসি
ভাংগা ঘরটি রক্ষায় প্রানানন্ত চেস্টায় বানভাসি,
কাচারাস্তাটি যেনো দেখতে ভাংগা দাতের চোয়াল
ফোকলা হেসে বলছে তাই  স্রোত ছিল ভয়াল।
>বানভাসি তোমাদের মুখোবয়ব দর্শনে
ধরে রাখতে পারিনি চোখের পানি,
গৃহ ভাংগা ,ভাংগা রাস্তা, ভাংগা মানুষের মন
দেখে দুচোখের জলে ভাসিয়েছি হৃদয়খানি।
>মুছেছি চোখের জল আনমনে অগোচরে
বুঝিতে দেইনি সে ভাষা রেখেছি সংগোপনে,
কড়া রৌদ্রে দাড়িয়ে অপেক্ষমান হাজার জনতা
কারও মুখে সুখের হাসি দেখিনি কোনক্ষনে।