সে অন্ধকারে দেখতে পায় সুদূর নীলিমা
বোঝে দৃষ্টির বাইরের সেই পরিসীমা।
যার অন্ধ চোখেও খেলে যায় বিচক্ষনতা
সে ভেঙ্গে দিতে পারে ফুলের আড়ষ্ঠতা।
সে জানে রংধনুর সাত-রঙা মায়াবী ছলনা
যার হ্যাঁ এর মধ্যেও মিশে থাকে ‘না
সে তো চেনা দিয়ে হতে জানে আবার অচেনা
মাতাল কৃষ্ণ-চূড়া , কখনো স্নিগ্ধ হাস্নু-হেনা।


সে তো এক ছদ্মবেশী চঞ্চল উদাসী মেঘ
বর্ষার গানে যখন ভেসে আসে না পাওয়ার আবেগ
তখনই মরু প্রান্তরে নামে সে হয়ে অঝোর বৃষ্টি
সেই শুধু দেখে যার আছে দেখার মতন দৃষ্টি।