কে তুমি  অদেখা যাদুকর?
              বাজাও মোহন বাঁশি!
কখনো ব্যাথার সুরে ঝরাও আঁখি জল;
কখনো সুখে, মুখে আনো হাসি।
যেন তুমি এক
         রহস্যময় সৌখিন সাপুড়ে
মনোহরণ খেলা দেখাও
         পথে পথে ঘুরে।
ঝাপি ভর্তি তোমার
সোনালী শঙ্খচূড়, কাল নাগিনী
এত চিনেও কেন মনে হয়
             তোমারে না চিনি।


একটি বীনায় তোল
           কত ভিন্ন সুরের লহরী
তন্দ্রা ভেঙ্গে জাগাও চুপে
নীরব মনের প্রহরী।
বাঁশি বাজাও প্রণয়ের সুরে
           আনো বিরহ বারতা শত
পথ হারালো অলি
পাখি, নাম না জানা ফুল কত!
তুমিতো বাঁশিওয়ালা,
চুমুকে চুমুকে তাই
পান করাও সবে তীব্র সুরের পেয়ালা!
যুগে যুগে ওই সুরের ইন্দ্রজাল
সম্মোহিত করে মন
যায় না বোঝা কে তোমার পর
কে তোমার আপন।