ওহ!
কি শীত পড়েছে আজ
বিছানায় ডাকা রাতের এই ভাগে,
।।
এস, শুয়ে পড়ি
পাশাপাশি, জড়াজড়ি
যেন উষ্ণতা একটু জাগে।


এই, ঘুমিয়ে গেলে কি?
শুনবে কি,
যে গল্পটা পড়ল মনে?
।।
এমনি কম্বলের তলে
তুমি-আমি কাটিয়েছি কত রাত
যখনও আসনি আমার জীবনে।


তখন কি করেছি, জানো?
পাশে পড়ে থাকা কোলবালিশে
ধীরে এঁকেছি তোমাকে।
।।
বাতি নেভানো অন্ধকার ঘর
কম্বলের নিচে বিদঘুটে কালো
তবু গিয়েছি তোমায় দেখে।


তখন তুমি নিশ্চুপ ছিলে
বলতাম শুধু আমি
শুনতে স্থির, অবাস্তব তুমি,
।।
এই হাসছ কেন?
সত্য যা তাই বলছি
ভেবোনা আমার বোকামি।


সেদিন আমার উত্তাপে
তপ্ত হতে তুমি
তবু নিথর তোমার দেহ,
।।
তবু তোমায় কামনা
প্রতি রাতে;
জানেনি অন্য কেহ।


এমনি দীর্ঘ প্রতীক্ষার
ধন তুমি আমার,
এমনি প্রত্যাশিত একজন,
।।
বহু প্রতীক্ষা, বহু অপেক্ষায়
বহু আগেই তুমি
জয় করে আছ আমার মন।
*** *** *** *** ***


এমনি প্রতি রাতে
চাইতাম আমি তোমায়
যেমনি আজ জড়িয়ে আমার বুকে,
।।
এই দুষ্টু মেয়ে
ঘুমিয়ে গেলে কি?
লোমশ উষ্ণতার সুখে।


এই আরে আরে, দেখতো!
কি করে নিলাজ মেয়ে!
উষ্ণতা দিলে, উষ্ণ ঠোঁট ঐ দিয়ে,
।।
তবে আমারও দিতে হয় জবাব
শীতের রাতে কম্বলের তলার গল্পটা
আজ থাকনা আধুরা রয়ে...।।


সস্তাপুর, নারায়ণগঞ্জ।
২৫ পৌষ, ১৪২০ বাংলা। ০৮ জানুয়ারি, ২০১৪ ঈসায়ী।