ইদানিং যেন কেমন কেমন লাগছে
ব্রেইনের সেলগুলো আর ঠিকঠাক
কাজ
করছে না
নিউরনের পুঁজি-পাট্টা ও ফুরিয়ে গেছে
ধার করে আর কতোদিন চলে
বলুন


সাধারণ লসাগু, গসাগু অঙ্ক ও আর মিলছে না
মিলতে চায় না


বিবিধ, লাভ ক্ষতি
ঐকিক,শতকরা, সুদকষা
অনুপাত-সমানুপাত
গুণ -ভাগ
সবই কেমন যেনো
এলোমেলো
উল্টোপাল্টা হয়ে যাচ্ছে
বারবার কাটাকাটি হয়ে যাচ্ছে
কাগজ ও কালির সীমাহীন অপচয়
হচ্ছে
রুধবে কে?


মাছরাঙা সাজ সকালে সজোরে ডাক দিয়ে
বলে গেল
কবি আর কাগজ নষ্ট কোরোনা
তুমি
মিলবে না
মিলবে না কোনো অঙ্ক তোমার


তবে
যোগ-বিয়োগ কিছু টা মিললে ও
সমস্যা টা রয়ে যাচ্ছে মূলত
অঙ্কের মধ্যে ই


এক বিশিষ্ট অঙ্কবিদের কাছে গেলাম
সে ও মাথা চুলকায়
চুল টানে
আসন বদলায়
অহেতুক ঘোরাঘুরি করে
নাকমুখ খিচিয়ে
বিড়ি ফুকায় আর
বিড়বিড় করে
তারপর জরুরি কাজে চলে যায়
অনেক দূরে
যতোটা মন চায়    


সরল অঙ্ক কষতে কষতে
দোকানের কালি আর কাগজ
নিশ্চিত শেষের দিকে
তার কাটাকাটি
খুটিনাটি
ত্রুটি বিচ্যুতি
ইদানিং টিচাররাও মিলাতে পারছে না
মাথার চুল টেনে ছিড়ে ফেলতে চায় তারা
বলে শালার বিদঘুটে অঙ্ক


দোকানী ও আর কাগজ বিক্রি করতে
চায় না আমার কাছে


প্রতিবেশী বুড়ি এসে জিজ্ঞাসিল
বাবা কি করো?
অঙ্ক করি
সে আবার কি জিনিস
খায় নাকি মাথায় দেয়
কি জানি বাপু!


কিন্তু কি হবে? এর?
মেলেনি উত্তর


মুঠোবন্দি কলমের খোঁচায়
যেখানে সাধারণ সরল অঙ্ক ই মেলে না
যেখানে সব নিয়ম রেললাইনের বাতির
নিয়নের আলোয়
আটকে যায়
যেখানে সব সুশিক্ষিতরা মূ্র্খতার
বলগা পরে
তুমুল ঢোল বাজিয়ে  
চুপ হয়ে যায়


করোনাকালের
এই জীবনের
বিশ্বমানবের এ কঠিন
অঙ্ক মিলবে কি করে?
বলুন?