নিভৃত আকাঙ্খিত শব্দের খোঁজে প্রতিটি বর্ণমালার বইয়ের পৃষ্ঠা দেখে নিয়েছি,
নির্জন শান্তি গাছের ছায়া পাবো আশা করে অরণ্য হোতে অরণ্য আরণ্যক হয়ে ঘুরে বেড়িয়েছি।
আমার একটি নিজস্ব গ্রহ বানাবো প্রত্যাশা করেছিলাম
যেখানে থাকবেনা যুদ্ধ বিগ্রহ হানাহানি পাপ এবং নির্মম ক্রোধ লোভ যত সব পরিতাপের কর্ম কান্ড।
পুরো সৌরমন্ডল চষে ফেলেছি তাই।
এমন একটি নিষ্পাপ প্রতিশ্রুতি চেয়েছিলাম
ভালোবাসার আর প্রেমের নির্মান আর সৃষ্টির
যা আগে এই পৃথিবীতে কেউ কাউকে দেয়নি।
ভোরের সূর্য যখন শত শত কাঁচের টুকরোর মতো
আলোর কুচি ছড়িয়ে দেয় হীরের দ্যুতিও হার মানে তখন।
আমি সেই পবিত্র আলোর পথে একজন দিশারি খুঁজেছি।
সমস্ত আঁধারকে এক ফুঁয়ে নিভিয়ে
হাতের মুঠোয় প্রাণ নিয়ে এই ধরণীর নিষ্ফলা প্রান্তরে
বুনে দেবে সবুজ ফসলের ঢেউ।
প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম আমি চেয়েছি অনেক
যুগ যুগান্তরের পথে চাওয়াকে সঙ্গী করে হেঁটে চলেছি।
আমার মননে আমার বোধে
শীতের কুয়াশা ঘেরা বনভূমি।
বসন্ত আসুক পলাশ ফুটুক,পাখির কন্ঠ গান ফিরে পাক,বনভূমিতে কচি পল্লবের হিল্লোল নামুক।
রবির আলোয় উদ্ভাসিত হোক আমার প্রত্যাশারা।
আমি অপেক্ষায় আছি..... ।।