বলা যায়; অনেক অনেকদিন পড়ে ফের তোমার সাথে দেখা হলো।ঠিক দেখাও নয় ; স্থীরচিত্রের অবগাহনে তোমার অবয়বকে নতুন করে উপলব্ধি করা। প্রায় হাজার আটেক সূর্যোদয়ের পড়ে আবার তোমার উপস্থিতি টের পেলাম । মনে হলো বাগানের কোথাও কোথাও এখনো চন্দ্রমল্লিকা ফোটেঁ। নজরুলের বাঁশি একেবারে যায়নি থেমে। তোমাদের শান বাধাঁনো ঘাটে এখনো হয়তো ছুয়েঁ যায় তোমার চরণ।ইচ্ছে করলেই হয়তো রুপোলি চাদর মনে হবে বিকেলের রোদ্দুর। কান পেতে শুনতে ইচ্ছে হবে দোয়েল শ্যামার ডাক। বুক ভরে শুষে নিতে ইচ্ছে হবে বুনো ঘ্রাণ।এমনকি তোমার বাড়ির সামনে গেলেও হয়তো  মিলবে বেল ফুলের ঘ্রাণ।জানিনা সুপারি গাছের গায়ে এখনো রক্তজল রয়েছে কিনা ! কেন জানি আবার মাখতে ইচ্ছে হয় কাদাজল। শ্যাওলা জমা উঠোনে পিচ্ছিল খেতে খেতে দেখতে ইচ্ছে হয় বৃষ্টি জলের রাজমুকুট। আমি কি এখনো ছুটে যেতে পারি তোমার আঙ্গিনায় ?
না , গল্প থামে ! স্থীরচিত্র হাসে মোনালিষা হাসি !
নদীর ওপাড়ে উড়ে যায় শঙ্খচিল বালিহাঁস। আমার তো যাবার জন্য কোন সংযোগ সেতু নেই।চোখের কোনে টের পাই চিকচিক নোনাজল।