প্রিয়ন্তীকে লিখছি চিঠি একটি দুইটি পাতা
লিখতে লিখতে শেষ করেছি কয়েক ডজন খাতা,
কী লিখেছি পড়তে তোমায় আসতে হবে আসতে
চিঠি পড়ে লাগলে ভালো হাসতে হবে হাসতে।
প্রথম পাতায় আঁকছি গোলাপ সাথে দুইটি পাখি
খুব আদরে আঁকছি আরও প্রিয়ন্তীর দুই আঁখি,
মুখ এঁকেছি, ঠোঁট এঁকেছি, এঁকেছি তার গাল
ভালোবেসে ঠোঁট দুটি তার লাল করেছি লাল।


ধুর ছাই, আঁকছিটা কী! চিঠি তো নয় ফালতু
লোকে যখন পড়বে তখন বলবে ওয়াক থু---
কীভাবে যে লিখবো চিঠি প্রিয়ন্তীটার কাছে?
ভাবতে গেলেই ভাষা হারাই উপায় কী আর আছে?
উপায় আছে, উপায় আছে, ভালোবাসি বলবো
প্রিয়ন্তী শোন্, তোকে নিয়ে কাজি অফিস চলবো,
এইভাবে তো লিখলে চিঠি হুকমি দেওয়া হবে!
ইভটিজার আর খারাপ ছেলে বলবে মানুষ সবে।


এসব কথা ভাবি আর খিলখিলিয়ে হাসি
খাতার পাতায় বড়ো করে লিখি ভালোবাসি,
ভালোবাসি ভালোবাসি লিখছি পুরো খাতা
চিঠি পড়ে বলবে লোকে- লিখছে কি সব ছাতা।
ছাতা বলুক, যা-তা বলুক, যে যাই বলুক আমাকে
মনে রেখো- ও প্রিয়ন্তী ভালোবাসি তোমাকে,
মনের কথা চিঠির ভাষায় প্রকাশ করবো কতটুক?
হৃদয় আমার জ্যান্ত চিঠি পাঠ করে নাও সুখ।