আমার রক্তঝরা ঘামে,চলে তোমার কারখানা,
তুমি অতি উঁচু আমি নিচু দেখাও এমন ভাবখানা,
আসছে সুদিন নিশিদিন তোমায় খুজিবে না কেহ
রবে নাকো ভেদ ভেদাভেদ দিতে হবে সব পাওনা।
**
শ্রমিকের ঘামে তুমি আজ অট্টালিকার পরে,
তোমাকেই তারা প্রভু বলে আজ পূজা করে,
তাদের ঘামের ফসল তোমার ওই অট্টালিকা,
তুমি উচ্চে উঠে পুচ্ছ নাচাও তাদের দূর দূর করে।
**
শ্রমিক যারা শ্রম দিয়ে তারা গড়ে নব নব অট্টালিকা,
তাদের বঞ্চিত করে আজ তুমি ভোগ করো একা একা,
মনে রেখো তারা নয় অতি দুর্বল, যদি সংঘটিত হয়,
দুনিয়ার মজদুর করবে দূর প্রবঞ্চন আর প্রহেলিকা।
**
মজুরি বেচিয়া থাকে বাঁচিয়া রাখে অর্থের প্রবাহ,
প্রবাসে বসি শ্রম বেচে,ফেলে মায়া, মমতা,স্নেহ,
তুমি এয়ার কুলারে বসি কলম পেষি করো ডাকাতি,
তবুও তোমায় কর্তা ডাকে,কাটেনি তাদের অন্ধ আফিম মোহ।
**
মাথার ঘাম পায়ে পেলে অন্ন যোগায় চাষা,
তাদের তরে হৃদয় ভরে জানাই ভালোবাসা।
ঝড়-ঝঞ্ঝা তুচ্ছ করি কৃষক ফসল ফলায়
কৃষকই শক্তি যোগায় জোগায় মনে আশা।
**
ঠেলা ঠেলে সংসার চলে দিন করে গুজরান,
সারাদিন ঠেলা ঠেলে হয়ে পড়ে হয়রান,
ক্লান্ত দেহ-শ্রান্ত মন, ভ্রান্ত জীবন জেরবার,
ঠেলাঠেলির ঠেলায় পড়ে জীবনটা লবেজান।