তোমার দুঃখগুলো পুষে  রাখতে দাও
একান্তে।

আজ বাহিরে ভীষণ বৃষ্টি ভেতরে তার শব্দ
কেনো একাকিনী বসে আছো নিবৃত্তে নিষ্পলক।
সেই - - কবেকার পুরুনো আসবাবপত্র ধুলো জমেছে বিস্তর
তোমার দুঃখগুলো পুষে রাখতে দাও
একান্তে।

আজকাল মানুষের ভীষণ বিষাদ
কখনও যদি বাহিরে বৃষ্টির জলে ছুরি ডুকে যায়
আর্তনাদহীন।
কখনও বা নিজের ভেতর কান্না ডুকে যায় অজান্তে
প্রতিবাদহীন।
তখনই যে যার উদ্যানে ছায়াতলে চুপিসারে পুড়ে
নিজের জলে অগ্নি জ্বলে - -
সন্মূখিন হয়,ক্রমে ভীষণ নীরবে সুগন্ধি শোকে
বিত্রিত আঁচল ঘামে মেশানো মলিন বিষাদে।
তোমার দুঃখগুলো আমায় পুষে রাখতে দাও
একান্তে।

প্রারম্ভে সবকিছু ঠিকঠাক থাকে প্রতিশ্রুতিময়
প্রারম্ভে চারাগাছও লকলকে হয় সবুজময়
রাখালের প্রথম বাঁশির সুরও আশা জাগানিয়া
অতিশয় চাওয়াও ধিরে ধিরে সব মৃয়মান হয়।
এই যেমন- -
চোখে ছানি মুখে ব্রণ বুকে লোম
নখে রক্তপাত
লোভ ও লালসা।

কেউ কেউ ফের- -
অন্যখানে আরও বেশি খুঁজে ফিরে ভালবাসা
এই লোভে ঈর্ষার কাজল চোখ চারদিক চুকচুক করে।
আবার কেউ কেউ
ওষ্ঠ থেকে অনায়াসে শুষে নেয় ওপরের মলিন বিষাদ
কেউবা নদীর কাছে ছুটে যায় মহত্তম সুধার আশায়
পুরুষ নারীর কাছে যায়
নারীরা নদীর কাছে যায়
নদী  সাগরের  কাছে যায়
মাটি আকাশের দিগন্তে চায়।

আসলে যে যতো দুরেই যাক বার বার ফিরে আসে নিজের কাছে
নিজের অতিশয় স্মৃতির বৃষ্টিপাতে।