ওই বাড়িতে কাঁপা শ্বাস ফেলে সাদা সিঁথির দল
ওই বাড়ির নামটা মাঙ্গলিক
সঠিক সত্যি কেউ জানেনা পরখ চায়না বলে
ভেঙে গেলে আহত মনের ভিত
ও বাড়ির চৌকাঠে আটকায় শীত।
শোনা যায় ফিসফাসে ভাগ্যের গণ পরিহাস
দেখা হোক, ফিরে দেখা হোক--
তৃতীয় প্রহর শেষে ঘুমোবার ছলে এপাশ ওপাশ।
ওই বাড়ি মনখারাপের
শিকের গরাদ আর ঠনঠনে শুকনো উঠান
বাউরি বাতাস এসে এলো করে ঘোর লাগা দীর্ঘপ্রহর
আফসোস,শুধু আফসোস,বিবশ মথের মতো পড়ে থাকে ঘটমান।
যাকে আর্গল খুলে খুব কাছে টেনে নেওয়া ছিলো
ঈষৎ কোঁকড়া মোটা চুল ব্যাকব্রাশ
সময় অকালে তার আয়ুটুকু নিয়ে, একরাশ পরমায়ু সিঁথিতে রাঙালো।
মা, দিদা,ফুলিমাসি, রাঙাদিদি, মিতা
সাদা সাদা ফুলদল লিখছে কবিতা।
অথচ পাঁচিলের ওপাশের গল্পটি আলাদা রকম
বাগানের ঘাসগুলি মখমলি,ছোট করে ছাঁটা
হলদে ডানার প্রজাপতি বাণির্জ্য বাতাসে বেশ আঁটা।
এবাড়ির চিলেকোঠা ওবাড়ির কার্নিসে হাঁটে
যদি অতীত বৃষ্টিদিন ভিজিয়ে বিলীন করে গাঢ়তম ছাঁটে।