ওরে শিক্ষিত নওজোয়ান,
শুধু শুধুই সারাদিন মান।
কেন উদাস আছো বসে,
হাতে ঠায় ভর দিয়ে ঠেসে; তোমার নিজেরই গালটা ?
এমন পুরুষ হয়ে জন্মেও,
যদি কর শুধুই মিও মিও।
তবে নিজেকে কেমনে গড়বে,
তেমন কেইবা আছে ধরবে; তোমার সংসারের ঐ হালটা ?  
পাল্টা এবার পাল্টারে ভাই জীবনটাকে পাল্টা।  
পাল্টা এবার পাল্টা তোমার জীবন দৃষ্টিটাকেও পাল্টা।

চাকরী নাই কী কোন কর্মও নাই,
দেখনি কী তেমন কিছুই তাই ?
সেথায় ওরা করছেও কত আয়,
যেথায় সাদা সোনা ফলায়; নিয়ে তোমার বাড়ির পাশের খালটা ।
কী একটা চাকরি নেবার আশায়,
টাকা নিয়ে ঘুরছ নেতার বাসায় বাসায়।
কী বিদ্যা তুমি শিখলে শুনি,
ঐ টাকাটাও খাটাতে শেখনি; শুধু নষ্ট করছো সালের পর সালটা ?
পাল্টা এবার পাল্টারে ভাই জীবনটাকে পাল্টা।
পাল্টা এবার পাল্টারে ভাই তোমার সংসারটাকে পাল্টা।


শিক্ষিত হয়েছো কী শুধু চাকরি নিতে,
ঐ শিক্ষা শেখায়নি তো স্বাবলম্বী হতে।
তাই এর অন্যথা কিছুই খোঁজনি,
কোন দিনও তুমি বোঝনি; পুঁজিবাদীদের দাস বানাবার চালটা ।  
ওদের মূখে ছুড়ে দে রে ঐ শিক্ষার সনদ,
নিজেই রচনা কর তোমার নিজের মসনদ।
কর অত্যাধুনিক সব চাষ বাস,
দেশে হচ্ছে বারো মাস; মধু মাশরুম খেজুর কমলা কলা মাল্টা ।  
পাল্টা এবার পাল্টারে ভাই জীবনটাকে পাল্টা।
পাল্টা এবার পাল্টা রে ভাই তোমার স্বদেশটাকেও পাল্টা।


ঐ ভূমধ্য সাগরে মরতে মরতে,
বিদেশ যাও বাছা চাকর খাটতে ?
সোনার বাংলার সোনার ছেলে,
শরণার্থী সাজো স্বদেশ ফেলে; তোমার এমন সোনার থালটা ?
ওসব রাজনীতি ফাজনীতি ছাড়ো,
শুধু কাজনীতিটাকেই তুমি ধর।  
যদি জীবনে আনতে পার খেদ,
তবে তুমিই পারবে করতে ভেদ; শোষকের পাতানো ঐ জালটা ?
পাল্টা এবার পাল্টারে ভাই জীবনটাকে পাল্টা।
পাল্টা এবার পাল্টারে ভাই এই সমাজটাকেও পাল্টা ।

স্ব-উদ্যোগে শূন্য দিয়েই শুরু কর,
স্ব-মেধার বিকাশেই নিজেকে গড়।
কর্ম বিনা কভু ধর্মও যে হয়না,
শরীরে বেশী তো সুখও সয়না; তাই ঊঠাও না কাজের তালটা ।      
জীবন যার কালোত্তীর্ণ কর্মময়ী,
শুধু সেই তো হয় মহান কালজয়ী।
স্ব-চিন্তা প্রসূত কোন কর্ম বিনা,
কালপুরুষ কভু কেঊ হয়না; নিরবিছিন্ন কর্মই বদলে দেয় কালটা।
পাল্টা এবার পাল্টারে ভাই জীবনটাকে পাল্টা
পাল্টা এবার পাল্টারে ভাই পুরো জগতটাকেও পাল্টা ।।  


রচনাকালঃ- দুপুর ১.৫৮ টা
শনিবার ০৯/০৬/২০১৮ ঢাকা ।