জানি বড় রাগ হোস যে তুই, বকাঝকা করি আমি - এই বলে । সহ্য হয়না আমাকে যে তোর, সেও আমি খুব জানি। কিন্তু ঠিক সেই সময়ে - দেখেছিস কি তুই কখনও - তোর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে ? একটু ক্ষেয়াল করলেই তুই দেখতে পেতি ঠিক তখন,  কিভাবে এই বুকের ভেতর রক্তনদী বইতে থাকে, দুঃখের মেঘে প্লাবন ডাকে,হৃদয় ভাসে অশ্রুধারায়, বোবা মুখে তোকে ডেকে ।


মন যে তখন চায় যে শুধু - এই দুহাতে জড়িয়ে ধরি আস্টেপৃষ্টে খুব তোকে, চাই সোহাগ আর আলিঙ্গনের উষ্ণতাতে যাই ডুবে। আরও তখন চায় যে এ'মন এঁকে দিতে ওই অধরে , ওষ্ঠে ও গ্রীবায় - যত উল্কি ভালবাসার ।


জানিনা কি হয় যে তখন, হয়তো বা রাগ নাকি অভিমান - আমারই অজান্তে! বলতে আমি পারিনা যে, এই যাতনা খুলে তোকে। কিন্তু কি তুই জানিস ওরে প্রিয়, তখন ভালবাসার কি যে হাহাকার, কি অভিমান কি আর্তনাদ সারা হৃদয় ও এই মন জুড়ে ? কি ব্যথা পাই নিজে আমি, সেতো জানে অন্তর্যামী ।


বুঝিস কি তুই কি যাতনা, তোর ছোঁয়ায় না থাকতে পারায়? তোর শরীরের গন্ধ যে চাই, তোর উত্তাপে পুড়তে যে চাই, অশান্ত এ'হৃদয় যে চায় একটুকু আশ্রয় - তোর নরম বুকে মাথা গুঁজে, হারিয়ে যেতে চাই আমি তোর আঁচলের শীতল ছায়াতে ।


তুই কি জানিস ভালবাসার? কি যে মন্থন কি আলোড়ন করে যে সে অন্তরের গভীরে ? সে যে বড় স্পর্শকাতর বড়ই অভিমানী সে। এ'মনের মণিকোঠার ভিতর হৃদকমলে পাতা আছে আসনখানি তোর । তুই রাগিণী অভিমানী তার কিই বা জানিস তুই ?


______________________


অমিতাভ (২০.২.১৯) একান্তে লেকের ধারে সন্ধ্যা ৬-৩০