ছায়া দিয়ে আবেগে বেঁধে রেখে লাভ?
সৌন্দর্য যে এখন প্রতারিত করে।
আছে কি মোহ সে যে এখন অস্থিচর্মসার,
পাখী বসে না আমার গায়ে…..
আমার নরম শরীরে পাখীদের ঠোঁট ঠক্‌ ঠক্‌ শব্দ করে না,
বেচারীদের ভালো লাগা মন্দ লাগা গুলো ছন্দ হারিয়ে ফেলে…
তাই আর আসে না…।
দূর থেকে এসে আমায় পাশ কেটে সদ্য যৌবনার বুকে বসে,
আড় চোখে দেখতে পাই ওদের ভালোবাসার চুম্বন।
ভালোবাসার আলিঙ্গন যেমন ছিলো আমার যৌবন।
আমার শীর্ণকায় বাহু আজ নিস্তেজ…আজ আর তেমন ভরষা পাই না,
বেবি পাখী গুলো ভুল করে চলে আসে…
ওদের মা পাখী বলে……
“যেও না ওখানে…দেখছো না চামড়াগুলো কেমন নোংরা।“
বাচ্চা গুলো দূরে থেকে আমাকে টাটা দেখায়…
আমার বৃদ্ধ হাত ওদের সাথে তাল মিলায়…একটু বাতাসেই আশীর্বাদ জানাই।
আমার শরীরে এখন বিষাক্ত সাপের বাসা হয়েছে…
বিষ আমাকে জরর্জরিত করছে…
হাঁটুগুলো আগের মতো দাঁড়াতে চায় না,
প্রকৃতির প্রদত্ত কিছু জল, হাওয়া, সেটাই সম্বল।
আমার শরীরে জমে থাকা নোংরায় আশার পরগাছা জন্মাচ্ছে…।
বিশ্বাস বেঁচে থাকার ……তবুও ভয় হয়,
কখন আবার দমকা হাওয়ায় আঁচড় কেটে ক্ষত করে যায়…..