ছোট্ট শিশু আফজাল হোসেন
লালবাগের ছেলে,
বাবা মায়ের কোলে আসেন
উনিশ শো পঞ্চাশ সালে।
বড় মামা স্কাউট পাগল
বাবা আশরাফ হোসেন,
পরিবারেই স্কাউট উপদল।
স্ত্রী মাশুরা হোসেন।


পৈত্রিক ভিটা বিক্রমপুরে
আস্তানা লালবাগ,
সাত বছরে ফ্রেন্ডস সেন্টারে
হয়ে গেলেন কাব।
শহীদ ভাইয়ের হাত ধরে
পথ চলা শুরু,
আরমানিটোলার স্কাউট নীড়ে
সরকারি স্কুলে গুরু।


কাব হয়ে আটান্ন সালে
পাকিস্তান জাম্বুরী,
গ্রীস জাম্বুরী চোখের জলে
অসুস্থতায় বাড়ি।
শুরু হলো রোভার জীবন
রোভারিং এর বিলে,
জগন্নাথে রোভারিং কেমন
তাঁদের অতীত বলে।


রোভার হয়ে এবার যাত্রা
অল ইন্ডিয়া মুট,
দেখালেন নিজের মাত্রা
প্রেসিডেন্ট'স রোভার স্কাউট।
ভ্রমণ শুরু দেশ থেকে
ভারত পাকিস্তান,
স্কাউটিং দিনে রাতে
আমেরিকা জাপান।


দেখা পেলেন ঘুরতে গিয়ে,
লেডি ব্যাডেনের,
ব্যাডেনের বোনকে পেয়ে
সাক্ষাত হলো ফের।
দশমবার অংশ নিয়ে
বিশ্ব জাম্বুরী,
উড়িয়েছেন মন দিয়ে
স্কাউটিং এর ঘুড়ি।


রোভার অঞ্চলে ছিলো যার
সম্পাদকের আসন,
জাতীয় কমিশনার হয়ে আবার
ভালোবাসার কারণ।
পরিচালক আসন নিলেন
ব্যাংক সোনালী,
আইডিয়ালে সভাপতি হলেন
বাজিয়ে স্কাউট তালি।


মুক্তিযুদ্ধেও গিয়েছিলেন
জাতির পিতার ডাকে,
জীবনের ঝুঁকি নিলেন
ভালোবেসে মাকে।
মায়ের ডাকেই ঘুমিয়ে নেতা
আমাদের আফজাল ভাই,
বেহেস্ত নসীব করিও বিধাতা
কামনা করে যাই।