না ছন্দ আর সুরের মধ্যে কোন সাদৃশ্য নেই,  খুঁজতেও যাইনি কোন মিল,
তবুও ছন্দের দৌলতে হটাৎ করে সুরকে পেলাম কলকাতার এঁদো গলিতে,
সুরটা একটানা তালে বেজে চলেছিল, যেন তার নিজস্ব ছন্দের চালে ভ্রমণবিলাসী,
শিল্পীর আঙ্গুলের ছোঁয়ায়, মনে হলো ঝংকারিত বাতাস তখন সবে বিশুদ্ধ হচ্ছে,
একটা সুরধ্বনির প্রবাহ বারবার দেহের শিরা উপশিরা হয়ে উঠে আসছিল,
সামনের আসনে রাখা স্বামীজীর ফুলমালা পড়া ফটোটা জ্বলজ্বল চোখ করে চাইচ্ছিল,
আমিও অনেকটা বিমোহিত!
বেরিয়ে আসার সময় বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে, পাশাপাশি দালান গুলোর ফাঁক দিয়ে একবার দেখতে পেলাম,
কিছুক্ষণেই নিজেকে সংযমী করে আমি
তখন রাজপথের চৌমাথায়,
আশ্চর্য! সামনের মঞ্চে স্বামীজীর সেই ফটোটা স্থানীয় নেতা দাদাদের ফুলমালা মাইকের চিৎকার আর হাততালিতে ছলছল চোখে চেয়ে,
মহানগরীর রাজপথে আজকাল বিশুদ্ধ বায়ুমন্ডলের অভাব সহসা ছন্দপতন,
তাল আর সুরের কোন মিল খুঁজে পেলাম না।
---------------