অপর্ণা এখন আর কাগজে লিখতে পারিনা
কালি গুলো শুকিয়েছে হাসনুহানার মতো খালি
কলম শুধু আছে ধবধবে পাতারা হাসে নির্মম
আগে শব্দেরা খেলত দুঃখের মধ্যে করুণ রাগে
বিরল ধারায় বৃষ্টিপাত আনন্দশ্রুর কার্নিশের ঢল
কার্পণ্য ছিলনা সুগন্ধ এসে আমার পৃথিবী রাঙ্গাত ভিন্ন
শুনতাম কত টুংটাং শব্দের খেলা স্বপন দেখতাম
ভেসে ভেসে আলপনা এঁকে দিত হেসে হেসে
আশ্চর্য অলৌকিক স্রোতের ভিতর জীবন্ত ভাস্কর্য
এখন শুধু মেলে ধরি হিসেব খাতা মেলাই সর্বক্ষণ
হিসাবে দেখি পড়ে আছে ঝরাপাতারা বেহিসাবে
এই শহরতলি খুঁজলেই পাবে অথবা এই গলিই
দিন গুলো আমার পথের ধূলায় মিলেমিশে বিলীন
অফিস-ঘর যানবাহন প্রতিটিতে পাবে কালির আঁচর
আমার ছোট ছোট দিন কিংবা রাত ভাঙ্গা-গড়ার
পূর্ণদৈর্ঘ্য ছায়াছবি প্রকাশ করব যা শূন্যতায় উৎসর্গ