সময় কারোর ক্রীতদাস নয়...
কতবার বলেছি সে কথা,
তখন তুই রামধনুর সাথে রং মিলাতে--
ব্যস্তবাগীশ, আর আমি...
মোটা চশমায় গ্লাসের ফাঁকে-ফাঁকে...
তোর উন্নাসিক দৃষ্টি পথে উঁকিঝুঁকি...
সেই গোলাপী কবেকার
বিয়ের বেনারসীর মিল খুঁজতে খুঁজতে
পা ছড়িয়ে বসলি এসে আকন্দ খেতে,
আমি তখন রুক্ষ চুলের মাঝে--
সাদাকালোর লুকোচুরি,
আর কিছু, ভিতরের বন্য হাঁসের পালক--
ছিঁড়তে ছিঁড়তে উচ্ছলতাহীন অন্তর বাহির,
ভেবেছিলাম পর্যাবৃত্তি, হবে না কিছুই,
এলোমেলো বন্য কবিতা,
শেষে বুনো হাঁসের কলজে ছেঁড়া,
পাঁচালী লিখবো তোকে নিয়ে,
নাম দেব এলোমেলো আধুনিকা,
ঝাপসা চোখে ফাগুনের নাম,
বাসন্তি জড়িয়ে তুইও তো খুঁজেছিলিস--
ভিড়ের মাঝে কাউকে...
তপ্ত রঙ্গিন রৌদ্দুরে--
হারিয়ে যাওয়া হাজার রঙের ভিড়ে,
শব্দবহ অর্থবহ ঝরে গেল,
এলোমেলো রঙ্গিন কবিতা।
তোর ইচ্ছাময় শাড়ির ভাঁজে ভাঁজে
আঙ্গুল জড়িয়ে আলসে দিনের,
বিবস নিশ্বাস শুধু চেয়ে থাকা
পরস্পর চোখে--
মোটা গ্লাসের চশমার ফাঁকে,
এলোমেলো কিছু বিষন্নতার অঝোরে
বর্ষার অবশেষে চশমার ফাঁকে-ফাঁকে
এলোমেলো পুরানো কবিতা ।