মাটির আঁধারে আমি সুপ্ত বীজ, জেনো
মাতৃজঠরে যথা শিশুভ্রূণ, হেন
বসুমতী মাতা মোর পালিছে আমায় মৃত্তিকা গহ্বরে–
যেমতি জননী পালে তাহার শিশুরে
গর্ভে তাহার; স্নেহ দানে, পুষ্টি দানে, ঊষ্ণতা দানে।
বসুধা সঞ্চারে শক্তি মোর ক্ষুদ্র প্রাণে,
দান করে যায় মোর নগন্য শরীরে,
বায়ু, জল,খাদ্য আর আলোক রশ্মিরে।
মৃত্তিকার বক্ষ ভেদি শিশুবৃক্ষ আমি,
যেমতি প্রসবে শিশু সন্তানজননী;
ধীরে ধীরে পত্র মেলি ঊর্ধ্বপানে চাহি’
অনন্ত গগনমাঝে বিস্তারিতে চাহি
আপন সত্ত্বাখানি।
শাখাপ্রশাখা আর পত্র,পুষ্প, ফলে
শোভিতে মাতারে ।
       ---০০০---