"গোপনীয়  শুশ্রষা"
   বিপ্লব দাস


আমি কোথায় যাই রৌদ্রলীনা।
চারিদিকে যে খাঁ খাঁ করছে,
সবাই সেই স্রোতে গা ভাসিয়ে যাচ্ছে,
হারিয়ে যাচ্ছে অনুপম নির্জনে।
মনের জমিনে কোনো মন খারাপের শহর নেই ,
সেই স্রোতের যাত্রায় কোনো সিকিউরিটি নেই।
যারা গা ভাসিয়ে যাচ্ছে তাদের কেউ নেই আটকাবার
তাদের মাথার উপর সুস্থ নীলিমা উৎসবে চেয়ে আছে
রোজ শহরের দেয়ালে দেয়ালে বেঁচে থাকার আয়ু বাড়ছে,
গোলাপের সানগ্লাস তাদের চোখে সর্বক্ষণ ,
সূর্যোদয়ের নেই কোনো বিয়োগচেতনা।


আমার পাহাড়সম হিংসা হয় মনে,
খুঁজে খুঁজে পুরনো দুঃখ দাঁড়িয়ে থাকে আমার হাত ধরে,
মন খারাপ নিয়ে যে  তির্যক আলো  ধ্রুব হয়ে থাকে সর্বক্ষণ ।
সেই বহমান স্রোতে আমি ভাসতে পারবো না,
অন্তরাত্মা জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
কারণ, তাদের হৃদয়ে অমর  অক্ষয় সুগন্ধি নেই,
তাদের হাত যেন বাবলা গাছ,
তাকানো যেন বাঁকা বাঁকা।


আর মন সোহাগ আক্রান্তের
স্রোতের বিপরীতেই আছো
যে তুমি স্নেহ নিয়ে দাঁড়িয়ে ,
তাই পারবোনা হারাতে ধূসর লালিত্যে।
তোমার শুশ্রূষা পাব বলে এই
অধম কত জনম ক্ষয় করে এসেছে ,
তুমি তা জানো না।
সেই বাবুই পাখির বাসায় তো
আমার জন্ম কুণ্ডলী সুসজ্জিতময় ।
তুমি আমায় শুধু তুমি হয়ে দেখো,
সমস্ত আগমনী সংখ্যায়
উষ্ণতার চাদরে ঢেকে রেখো।


হৃদয়ের বদলে হৃদয় রংধনু,
হয়েছে সমস্ত ঋতুই যেন বসন্ত।


এই চলমান স্রোতে আমার প্রেম থাকুক গোপনীয়
আর পরম শুশ্রূষা থাকুক হৃদয়ে সর্বক্ষণ সবুজ হয়ে।


রচনা–বিপ্লব দাস
তাং–২২/০১/২৩