গ্রামের প্রাণ
[email protected]@@


গরীবের ছেলে ভোলানাথ ভোলা সহজ সরল প্রাণ,
দিনমান তার খুঁটিনাটি চলা বাড়াতে গ্রামের মান।
খুশিতে সে করে বৃক্ষ রোপণ পরের জমিন খুঁড়ি,
অন্তরে আশা গৃহগুলি হবে পাখির স্বপ্নপুরি।


পর মঙ্গলে যেচে করে কাম নেয় নাকো চেয়ে টাকা,
না দিলেও কেউ হাসি তবু তার স্বর্ণের মতো পাকা।
চলার আধারে সাফ করে পথ রাখতে তা পরিপাটি,
গর্ত দেখলে পারে না সে যেতে না দিয়ে দু’ডালি মাটি।


খুব মনে আশা খেলোয়াড় হবে একদিন বড় বেশ,
ফুটবল মাঠে রোজ গড়ে তাই বাহবার সমাবেশ।
এগাঁও ওগাঁও খেলতে সে যায় ডাক দিলে কভু কেউ,
যাদুর ছোঁয়ায় এনে দেয় তারে সুনামের যতো ঢেউ।


সকলেই বলে হতো যদি ভোলা ধনিনীর সন্তান,
একদিন তার ভাঁড়ারে জমতো গগনচুম্বী মান।
সেদিন অচেনা ভদ্রের বাবু পেয়ে তার পরিচয়,
সুধালো ভোলা রে যাবি মোর সাথে করবি শহর জয়?


অজানা আশায় বুকখানি তার খুশিতে উঠলো ভরে,
সাড়া দিলো সাথে দু’ফোঁটা অশ্রু মুক্তোর মতো ঝরে।
সকলে বললো ভাবিস নে ভোলা বিশ্বাস রাখ মাথে,
আল্লার দ্বারে খয়রাত দিমু দোয়া রবে তোর সাথে!


খেলবি যখন বড় বড় মাঠে বাঞ্ছা মননে পুষি,
দুনিয়াতে আর কে হবে বলতো আমাদের মতো খুশি?
ভোলা শেষে তাই শহরেই গেলো মুছে অস্ফুট ঘাম,
সকলে দিলেও খুশিতে বিদায় নীরবে কাঁদলো গ্রাম।


[email protected]@@
পাঁচুপুর, আত্রাই, নওগাঁ।
১১/১০/২০২১ইং।



@বোরহানুল ইসলাম লিটন