আলমারির তাকে
সারি সারি দাঁড়িয়ে থাকে
রবীন্দ্রনাথ।
সারা বছরে কতই না আজুহাত
বাইরে না আনার।
ধুলো, ময়লা, পাড়াপড়শী,
আহুত, অনাহুতো
নানান ছুতোয়
চোখে না পড়ার।
মালাটের কালকোঠরে
ঝোলে তালা।
বাইরে অতন্ত্র প্রহরায় থাকি
কেউ বুঝি এলো নাকি!
আলমারির তাকে
থাকে থাকে
থেকে যায় কবিগুরু একলা।
পার হয় শরৎ, হেমন্ত,
শীত বাসন্ত।
গৃষ্মের দাবদাহে
পালাশের মিঠে ছায়ে
বৈশাখ দাঁড়িয়েছে দোরে।
শ্বার্ধশতবর্ষপরে
ক্ষনিক হলেও মলাটের বাইরে।
তারপর ?
নাট্য গীত, গীতিনাট্য, পাঠ
পরিপাটে কটা দিন কাটে।
অবশেষে নির্বাসন,
পুরোন সেই আলমারির তাকে।
এই বৈশাখে,
এসো মুক্ত করি তালা খুলে,
ক্ষনিক হলেও মলাটের শৃঙ্খলে
----- o -----