দুটো কাঁপতে থাকা শুভ্র, নীলাভ অন্ধ
প্রজাপতি; তোমার দাম্ভিক হৃদ শিরা
গলিয়ে উঠে-, ঝর্না সদৃশ অধোগামী
অথচ স্বচ্ছ নোনা মদ! যেন জলজ
রেখা আঁকলো চোখ হতে বুক পর্যন্ত।


তারপর ঐ তরল প্রজাপতি দুটো
নিশিদিন শুধু পুষ্পরূপে উড়ে উড়ে
সহস্রাধিক শুভ্র নীল প্রজাপতিতে
ভিড় জমালো সরণির ভাগাড়ে, নিত্য
ফাগুনে, কালবৈশাখীর ক্ষিপ্র কামানে।


ভীষণ নরম ঘাসের সবুজ বেডে
বিনা ঘুমে নির্লিপ্ত ছিলাম ক্রায়োস্লীপে
শত ক্রোর রাত্রি ধরে; অকস্মাৎ এক
পরিচিত ছোঁয়া! শিউরে উঠে শরীর,
দুটো প্রজাপতি ধসে পড়েছে দু-চোখে।


চোখের পাতাদ্বয় সজোরে মেলে ধরে
দেখলাম- খোলা চোখের অন্তরালেই
হাজারো বন্ধ চোখ। বামের চোখ ডানে
মেশে; ডানের সে অধীন নাকি স্বাধীন!
মেঘ তবু শুভ্র, নীলের ডানায় চিল।