মানুষ মাত্রেই কম বেশি বিশেষ একটা নীতি মেনে চলে, খুব ভাল. এখন কথা,-তবে নীতিটা যদি নিজের-দশের-দেশের-মহৎ হৃদয়ে মানা বিশ্বের হয়,- সে নীতি হয় সর্বোত্তম ৷বিশেষ করে যাঁরা ললিত কলায় আগ্রহী তাঁদের মনঃ অন্তকরণ কোমল,উদার,ভাবুক এবং সেবা ভাবনা মুলক হয়, তাঁর ভেতর কারও বা মন সম্পূর্ণ মুক্ত “চিত্ত ভয় শূন্য”  হয়ে উঠতে পারে না, একটা গন্ডিকে আঁকড়ে ধরে পড়ে থাকে ৷
আমার যুক্তি—আমি অমুকের কথা,(কবিতা বা গল্প) কাজ, চাল-চলন, চেহারা,পছন্দ করি না, তার সব কিছু ধরা-ছোঁয়ার বাহিরে , এ রকম নীতি মনেতে পোষণ করা ভাল না ৷ আমার নিজস্ব মত-- (ক্ষমা করিবেন, আমি কাউকে চাপাতে চাই না ) প্রথম,-ঐ বিষয়ে দেখুন, মনন করুন, ভাল না লাগিলে অন্য কান দিয়ে বের করে দিন, এখানে উদ্ঘূর্ণা ভাব (এলার্জী) হওয়া উচিত নয়—মনেতে ধরিলে তার ভালটা নিন, বা পুরোটা নেবেন না এতে দোষ নাই ৷
উদাহরণ—ধর্ম সপ্মর্কে সামান্য যা জেনেছি-তার মুখ্য রূপ-ইস্লামে-আল্লাহ এর উপর অটুট আস্থা রাখ ৷ শিখ ধর্মে- গুরুগ্রন্থ সাহেবকে গুরু মান, তাঁর কথা মান ৷ জৈন-বুদ্ধ ধর্মে- অহিংসা, জীব হত্যা পাপ ৷ হিন্দু সনাতন ধর্মে-বসুদৈব কুটুম্বকম্ ,অতিথিকে নারায়ণ রূপে সেবা করো ৷ খ্রীষ্টধর্মে--পড়োশীকে ভালবাসো ৷
আমার নিজস্ব মন্তব্য—ইউরোপে এক সময় ক্যাথেলিক ও প্রটেস্টেইন খ্রীষ্টীয় (নব-পুরাতন) একই ধর্ম নিয়ে লাল- সাদা, গোলাপের যুদ্ধে একচতু্র্থাংশ লোক ইউরোপে মারা যায় , (সন্ ইং-1455-1485) ৷ তখন হতে মনে হয় ওঁরা আপসে বেশি একটা লড়ে না, পড়োশীকে ধর্মে আরও ভালবাসে, মতটা আমার ভাল লাগে, বর্তমান যুগে পড়োশী সর্বাগ্রে দরকার ৷
(অনধিকারচর্চা হলে কতৃপক্ষ যেন তৎক্ষণাৎ মুছে দেন অন্যায় মেনে নেব ),  ধন্যবাদ ৷     (ইং-15-10-2016)