হে ! জননী
তুমি যে, আমার স্বর্গের পরশ পাথর,
এই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ তুমি, সবার চেয়ে ভালো !
ঝলমলে পূর্ণিমা চাঁদ, আমার সকল সুখের আলো,
বৃষ্টি শেষে, রংধনুর সাত রঙে সাজানো বিশাল আকাশ !


হে ! জননী আমার
দশ মাস দশ দিন, নিশ্চিন্তে, রয়েছি তোমার উদরে
করেছো কতো কষ্ট ! মুখ বুজে সয়েছ কতো যাতনা,
প্রসব ব্যথায় ছটফট করে -
অবশেষ ! জন্ম দিলে আমায় ।
আনন্দের জোয়ারে ভেসে, রক্ত মাখা শরীর নিয়ে -
প্রথম চুমু খেলে তুমি, হাসি মুখে আমায় কোলে তুলে ।


হে ! জননী
ক্ষুধার পেলে কাঁদতাম যখন, করাতে তোমার দুগ্ধ পান,
শিখিয়েছো তুমি আমায়, তোমার মুখের শেখানো বুলি,
শক্তিহীন দেহে, দু'পায়ে ভর করে চলার শক্তি ছিলনা আমার
আজ, দু'পায়ে ভর করে ক্লান্তি হীন পথচলা তোমারই অবদান।


হে ! জননী
সুখে কিংবা দুঃখে এই পৃথিবীতে, থাকতে চাই -
তোমারই নয়ন মণি হয়ে,
যত দিন এ দেহে রবে প্রাণ -
আগলে রেখো তোমার স্নেহের আঁচল তলে।
জানি পারবোনা করতে শোধ- তোমার ঋণ,
শুধু আশীর্বাদের হাত রেখো মাথায়- চিরদিন ।