যৌবনের উচ্ছ্বাস থেমে থাকে না।
থেমে থাকে না অতল সাগরের গভীরে তিমির পথচলা,
থেমে থাকে না বটবৃক্ষের শাখা-প্রশাখা।
জীবন চলে নিরন্তর!
কতোটুকু পথ পারি দিলে এই পথ হবে শেষ?
কতো ফুল ঝরছে,নদী হারাচ্ছে তাঁর নাব্যতা।
পাহাড় ধ্বসে সমান্তরাল ভূমিতে মিশছে,
কতো সাগর হয়েছে মরুভূমি।
ঈশ্বর হয়তো প্রতিবিধানে অক্ষম!
অথবা তিনি অপারগ।
কিন্তু মহামান্য ঈশ্বর কি সভ্যতা ধ্বংসের দায় এড়াতে পারেন?
জানি,বিগত দিনের কথা ঝরাপাতার মতোই মলিন,
কিন্তু ইতিহাস? সেও তো বিগত দিনেরই প্রতিচ্ছবি!
প্রতিবার প্রতিসরণে যখন রাত দিন হয়।
তখন প্রকৃতির কাছে উত্তর চাইতে আমরা অপারগ।
অথচ সমস্ত নির্ভরতার প্রতীক চারপাশ।
ঐন্দ্রজালিক জগতে সব প্রশ্নের উত্তর আছে কি?
হেমন্ত আসে হেমন্ত যায়!
পাখিরা পথ বদলে অজানার পথে ছুটে চলে নিরন্তর
মানুষও কি বদলে ফেলে তার পরিচয়?
কে দস্যু কে বন্ধু? সবই তো পার্থিব
তবুও কলম চলে!
সভ্যতার দেয়ালে এঁকে রাখে তাঁর প্রশ্ন।
কলম কবির নিঃসঙ্গ সারথি,প্রকৃতিও নইকি? প্রকৃতিই আমার ঈশ্বর!