বৃদ্ধের পথে নীরব পায়ে হেটে যাওয়ায়, আমি বিষন্নতা খুঁজে পাই!


যুবকের মুখের হাসিতে, আমি বিষন্নতা খুঁজে পাই!


সিগারেটের নিভু নিভু ধোঁয়ায়, আমি বিষন্নতা খুঁজে পাই!


পাখির কিচিরমিচির শব্দেও, আমি বিষন্নতা খুঁজে পাই!


অশেষ শূন্য আকাশে, আমি বিষন্নতা খুঁজে পাই!


কি এ-ই বিষন্নতা?


বিষন্নতা কি একটা চাহিদা?


কেনো বিষন্নতা আমি-আমরা সর্বত্র খুঁজে পাই?


যেনো মায়া সাইকেলে বিষন্ন পথে এগিয়ে যাই


কিসের খোঁজে?


কোথায় এই পথের শেষ?  


এই পথে ঘুরে-ফিরে দৌড়ে-হেটে


পায়ের তলায় মেঘের ছবি এঁকে


জীবনের সকল ব্যক্তিগত সময়ের গলায় পা চাপা দিয়ে পিষে পিষে


হেটে যায় কোন সৃজনের খোঁজে?


এই পথের শেষে কি দেখতে পাবো বিষন্নতাহীন সূর্য উদয়?


সবকিছু কি নতুন করে শুরু হবে তখন?


হয়তো তখন নব আধার খুঁজে পাবো অজানা গন্তব্যে।