কবুল বলে এনেছিলাম আমার ঘরে
আঠারো বছর বয়সের এক মেয়ে,
আঁখি ছলছল করছিল অজস্র স্বপ্নতে,
আমি দেখছিলাম শ্যেন দৃষ্টিতে চেয়ে।


বদনখানিতে সহজ সরল বহতা কি
দারুন কাব্য শৈলীর ন্যায় মধুর ভাষা,
তার সাথে আমার জন্ম জন্মান্তর বন্ধন
আর মনে অজস্র ছিল আমার আশা।


দোয়েলের শিসে ভাঙাত ঘুম নিত্য সকালে
হেলেদুলে করতে একা সকল কাজ,
মনের ভুলে কোনো দিন তার হয়নি তো করা
নিত্য প্রভাতের মনের অভিলাষে সাজ।


নানা ঘাত প্রতিঘাতে আমারে দিত সে
উপমা দিয়ে কত যে বিচিত্র শান্তনা,
চড়াই-উতরায়ে সমভাবে অংশ গ্রহণ
আর সহ্য করত কত না, কত যন্ত্রনা।


তার সাথে আমার হয়নি মন মালিন্য
অজস্র ছিল না তার চাওয়া পাওয়া,
চানিক্য মানিক্যের প্রতি ছিল না কোন
আশা,শুধু ভালোবাসা ছিল তার চাওয়া।


কচি শসার ফুলের মতো তার  ছিল মুখে গড়ন
দুধ সাদা ফুলের মতাে তার ছিল গায়ের-বরণ ,
গ্রীষ্মের দুপুরে ধান মাড়াইয়ের কাজ করত, আর
বলত ওগো রেখো আমারে তুমি স্মরণ।


এ ধরা ছেড়ে যদি চলে যায় কখনো আমি
তোমারে ছাড়া আমি থাকব অনেক দূর,
আমারে পড়লে মনে দুপুরে পলাশের বৃক্ষের  
শাখায় বসে থাকা শুনবে পাখির সুর।



রচনাকালঃ
১৫/০৫/২০২১