//দীক্ষা নিবি! তা বেশ তা বেশ//


দীক্ষা নিবি! তা বেশ তা বেশ
এটা কি তোর গুরুর আদেশ!
গুরুর নামটা বলনা মাইরি
রাখব ভরে আমার ডাইরি|


এই এতদিন, শিক্ষা নিলি
বর্ণমালায়, নামটা ভরলি
চাকরী কেন ধরলি না তুই!
এক এক যোগ, তবেই তো দুই|


অভাবে তোর দিন চলেনা
বাপের পয়সা, তাও তো জানা
জীবনটা তোর, বাপের তো নয়
নিষ্কর্ম জীবন, শীঘ্রই ক্ষয়|


টহল মারিস, প্রায় পুরো দিন
নাচিস কেন, তা-ধিন তা-ধিন
কে উপদেশ দেয় যে তোকে!
কেউ তো নাচায়, নাচিস ঝোঁকে|


বয়স তো তোর সাতাশ আটাশ
আর এই বয়স, কাজেরই দাস
কাজ করবি, খুঁজবি আরাম
এখন কেন, জপ এর ব্যারাম!


জপ আর তপঃ, সব অবসরে
বেজায়, উপলব্ধির-ই পরে
কিন্তু তুই কি আমায় মানবি!
তুই তো গোলকধাঁধায় ঘুরবি|


দীক্ষা নিয়ে কী আর করবি!
কদিন জপে, ডুবেও থাকবি
তারপরে তুই বুঝবি-রে ভাই
জীবনটা চায়, কাজের ছায়াই|


দীক্ষা কোনো পরীক্ষা নয়
কোনো মন্ত্রে কি আসবেই জয়!
বদলাতে চাস, নিজের জীবন!
এ কাজ করবে, তোর তন মন|


বলবি এবার, তোর গুরু কে!
জানার ইচ্ছা জেগেছে যে
না বলতে চাস, বলিস না ভাই
কি ফন্দী তোর! ভেবেই করিস|


সুবীর সেনগুপ্ত