অমন করে তাকিয়ো না বুভুক্ষুনয়নে
আমি চাঁদের মত হারিয়ে যাবো সামান্য গ্রহণে।

নারী তোমায় আমি পড়তে জানি
সাত সহস্র ভাষায়
অল্পে হলে গল্পে কেন দ্বিপদী ছন্দে ভাসাবো তোমায়।

থোকা থোকা রক্তরাগ ফোটে আছে
কুমারীর ফর্সা গলে, আহাঃ! কি শোভায়
মহুয়ার মাদকতায় নয় বসন্তের শেষের পাতায়
প্রেম আমাকে আন্দোলিত করে তোলে
হৃদয়ের স্রোতধারায়
কৃষ্ণকলি কাজল তোমার ওই দুচোখেই মানায়।

তোমার দেহের ভঙ্গিমা সে তো এক প্রাচীন পাহাড়ি শহর
আঁকা বাঁকা পথের উপার লাল টুকটুকে ভোর
তোমার কাজল কালো চোখ বায়না  ধরে
প্রেমের বৃন্দাবন
হৃদয় বন্দর বর্গা নিবে সাত কোটি বছর।

তোমার ঠোঁটের মত স্নিগ্ধ কোমল
এই শীতের সকাল
এত আকাল পড়েনি দেশে
তোমার চোখের সৌন্দর্যকে ছাড়িয়ে যাবে ভোরের কুয়াশা চিরকাল।

ভোরের হওয়া দেহে চিরকালই বড্ড দরকারি
কুয়াশার ঢেউ যেন সদ্য মাতালের পাগলামি
যাপিয়ে পরে তোমার কৃষ্ণকলি গালে
দুহাতে সরিয়ে দেখবো তোমার মুখ
তুমি উষ্ণ চাদরে ডেকে আছো নাকছাবি চিবুক

মেয়ে অমন করে তাকিয়ো না কাজলনয়নে
আমি চাঁদের মত হারিয়ে যাবো
সামান্য গ্রহণে।