তুমি কোথায় রাখছো হাত - জলে
না না ওটা আমার চোখ
অনেক অনেক কষ্টে ঝর্ণা হয়ে গেছে
এক মায়াহরিণীও তোমার মত ভুল করে
জল ভেবে ডুব দিয়েছিলো আমার হৃদয়ে
সেই যে ডুব দিল জলে আর কখনো তাকে ভাসতে দেখিনি
তাইতো তার প্রতীক্ষায় আজও বসে আছি।

তুমি কোথায় রাখছো হাত - ঘাসে
না না ওটা আমার প্রশস্ত সবুজ বুক
বেদনার চাপে ঝলসে গেছে মাটির উর্বরতা
চৌচির হয়ে গেছে পাঁজরের হাড়
সবুজ ঘাস আর ওখানে জন্মায় না বহুদিন।

তুমি কোথায় রাখছো হাত - বাতাসে
না না ওটা আমার নিঃশ্বাস
বৃক্ষের সবুজ ফুসফুস হৃৎপিণ্ড বাঁচিয়ে রাখে
আর বৃক্ষ বাঁচিয়ে রাখে আমাকে।

তুমি কোথায় রাখছো হাত - রৌদ্রে
না না ওটা আমার নরম হৃৎপিণ্ড
বসেবসে সময় গুনছে মহাকালের
বৃষ্টি আর ঝড়ে হারিয়েছে লোমকূপের পুষ্টি, সুখ
বার্ধক্য আসবে বোধহয় কিছুদিন পর
নয়নের নির্জনতায় দেখে রমণীর নান্দনিক মুখ।

তুমি কোথায় রাখছো হাত - পাথরে
না না ওটা আমার মাথার খুলি
সবাই ভুল করে বসে পড়ে। দেখছো তো ঝর্ণার জলে স্নান করি মহাদেবের মত সারাক্ষণ!

তুমি হাত দিয়োনা আর দেহের কোথাও
আমি আগুনে জ্বলে যাবো দাউদাউ।