অফিস যাওয়ার জিনিসগুলো হাতের কাছে রাখা
পছন্দের সব খাবারগুলো টেবিল 'পরে ঢাকা।
অফিস ফিরে পাপোশখানা পা মুছানোর ডাকে
হাসি মুখে ঘরের দ্বারে সদাই শুয়ে থাকে।
পায়ের জুতাও কেমন যেন বাধ্য ঘোড়ার মত
তাকের পরে ডাকের আশায় অপেক্ষাতে রত।


ঘরের কোণে কোথাও যদি ঝুলছে দেখি ঝুল
পরক্ষণেই বুঝি সেটা নেহাত চোখের ভুল।
ফুলদানীতে দুটো ফুলের একটা হবে ফোটা
আজকে যেথায় যাচ্ছো সেথায় টাইটা পরো মোটা।
রাঁধার কলায় কাঁচকলাতে মুখোরোচক বড়া
ঝাল-পেঁয়াজ আর লবন-তেলে কলাই-রুটি-জড়া
অফিস থেকে ফেরার পরে নগন্য এক ভোজন
মুখের সাধে খেতেও ভাবি বাড়বে তাতে ওজন।


কাজের চাপে সময় মত চা খাওয়াতে ভুল
ক্ষণিক পরে মাথার ব্যথায় ছিড়তে হবে চুল।
যার মাথা সে ভুলেই থাকে, নয় ব্যথাটা যার
নগন্য সব ব্যাপার নিয়েই তার যত কারবার।  
মাংসে হবে আর একটু ঝাল, মাছে হবে নুন
এসব ব্যাপার নগন্যই তো, কী আর লাগে গুণ?


নগন্য সব কাজের পিছে যার দুখানা হাত
নগন্য সেই মানুষ ঘরে খাটছে দিবস-রাত।
মূল্যটা তার সেদিন বুঝি যেদিন সে নেয় বিদায়
নগন্য সব জিনিসগুলি সেদিন পাওয়া কী দায়!