রাজা বিক্রমাদিত্যের রাজ দরবারে প্রধান রাজ কবি ছিলেন কালি দাস। রাজা কবি কালি দাসকে প্রধান রাজ কবি করায় অন্যান্য কবিরা কালি দাসের প্রতি দারুন অসন্তোষ। তারা রাজার অলখ্যে এ বিষয়ে সমালোচনা করতে থাকে। বিষয়টি রাজার কানে গড়ায়। রোজকার মতো বিকালে কবিদের সাথে করে রাজা নদীর ধারে বেড়াতে বের হয়েছেন । হঠাৎ তিনি দূ্র হতে দেখতে পেলেন,একটি শুক্ন কাঠের গুড়ি ভেসে আসছে। রাজা মশায় টপ করে কবিদের কাছে জিজ্ঞেস করলেন,আচ্ছা আপনাদের কবিতার ভাষায় ওটা কি বলেন ? কালি দাস ব্যতিত অন্যরা আলোচনা করে বললেন, 'শুষখং কাষঠং সম্মুখে ভাসেং । রাজা মশায় কালি দাসকে বল্লেন,
,'বাবা কালি দাস, ঐ যে কি একটা ভেসে আসছে দেখতে পাচ্ছ ? কবি কালি দাস ঊওর দেয়, আজ্ঞে হ্যা। এবার রাজা মশায়,তাহলে এবার তুমি তোমার কবিতার ভাষায় বলো । কবি কালি দাস কবিতার ভাষায় বল্লেন,'নীরস তরুবর সম্মুখে ভাসে"। এবার রাজা বিক্রমাদিত্য কবি কালি দাসের প্রতিহিংসাকারিদের উদ্দেশ্য করে বল্লেন, আপনারাই বলুন,এদুটি কবিতা ছন্দের মধ্যে কোনটি শুনতে ভাল এবং শ্রুতি মধুর ? হিংসা কারি কবিরা লজ্জায় মাথা হেট করে থাকলেন, কোন কথা বলতে পারলেন না । আমার ইতিহাস ভিওিক কাহিনিটা শোনানোর উদ্দেশ্য হলো, এখন কবিদের ছড়া-ছড়ি, অমন মধুময় কবিতা ক'জন কবিই বা লিখছি সেটা একবার ভেবে দেখেছেন কি ?