কতোটা কষ্ট পেলে মানুষ কাঁদতে কাঁদতে
দাঁত বের করে হেসে ফেলে; ঠিক কাঁদতে পারেনা।


যাবতীয় কষ্টের প্রতি আন্তরিক হয়ে
পঙ্গুত্বকে সঙ্গী করে নেয়া মানুষটার মতো
ভূয়োভূয় দুঃখ আর অমৃতশীল যন্ত্রণাকে আপন করে
অবশিষ্ট জীবন তাকেও কাটিয়ে দিতে হয়, সহাস্যমুখে।


আকাশ ছোঁয়া কষ্টগুলো একতরফা-
আঘাত করতে করতে
যখন মানুষটাকে নির্বাক জীবন্ত-পাথর বানিয়ে ফেলে
তখন হাজারটা কথা ঠোঁটে থাকলেও; সে বলতে পারেনা।


এক পাহাড় সমান অবহনযোগ্য ভারী মানসিক চাপ
যখন মানুষটার মাথা চেপে বসে-
তখন চলাফেরার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও; সে হাঁটতে পারেনা।


এমন একটা অবাঞ্ছিত জীবনের অন্তিম সমাধান
খুঁজতে খুঁজতে মানুষটা যখন,
জীবনের ইতি টানতে যতোবারই মৃত্যুপথ বেছে নেয়
ততোবার সে দৈবক্রমে বেঁচে যায়, কিন্তু মরতে পারেনা!