সহশ্রাব্দ অথবা তারও বেশি আছি বসে;
কলম ধরে আছি হাতে কষে।
লিখবো এক খানা কালজয়ী কবিতা;
আসে না ভাষা বেকার সবি তা।
ভাষারা অভিমানে ছেড়ে গেছে বহু দূরে;
জানা নেই ডাকবো তাদের কোন সুরে?
সকাল দুপুর রাত্রি দিবস রজনী;
ডাকি তারে বারে বারে দেয় না ধরা সজনী।  


প্রকৃতির অপরূপ চিত্র আঁকবো একখানা;
দিবানিশি খুঁজে ফিরি ভাষা নেই জানা।
গাছ পাখি নদী-নালা বন বনানী;
সবার কাছ থেকে পাই সুন্দরের হাতছানি।
সবুজের সমারোহ ভরিয়া দেয় মন;
নদীর কলকল ধ্বনি মনে তোলে আলোড়ন।  
পাকা ধানের সোনালী আভা জুড়ায় প্রাণ;
আনমনা করে মোরে মাঝির ভাটিয়ালি গান।


বন বাদাড়  মুখরিত নানা পাখির কূজনে;
দেখেছি প্রেমের অনল ললনার নয়নে।
তবু পারিনি লিখতে ছোট্ট একটি কবিতা;
হলো না কবিতা মোর প্রাণের মিতা!
কবিতার জন্য হৃদয় খানা মোর ফানা ফানা;
তবুও এ মনে কবিতার নেই আনাগোনা!
নির্বাক নয়নে খুঁজি কবিতার নিবাস;
কবিতা সুন্দরীর হাসি নাকি কবি বুকের দীর্ঘশ্বাস!!
তারিখ: ১৪-০৫-২০২৪ ইং;


আজকের এই কবিতাটা আসরের স্বনামধন্য কবি জনাব শরীফ এমদাদ হোসেনের "কবিতার বীজ" কবিতাটি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে লেখেছিলাম। তাই আমার প্রিয় কবি জনাব শরীফ এমদাদ হোসেনকে আমার "কবি বুকের দীর্ঘশ্বাস" কবিতাটি উৎসর্গ করলাম।