অস্তিত্ব

সাতাশ বছর আগে চেতনার মৃত্যু ঘটেছে
আগে কখনো ভাবিনি ডুব সাঁতারে ডুবে যাব,
তলানিতে যখন পৌঁছে গিয়েছি অস্তিত্বের সন্ধানে
সকাল বিকাল হাতরাতে থাকি বিবেকের কাছে।
প্রশ্ন করি কে, কোথা থেকে বা এসেছি, এই ধরায়-
যে এনেছে এই মর্তে, আমি তাকে কিছুই দিতে পারিনি।
শুধু দানবের মতো চুষে নিয়েছি, সমস্ত সত্তার ব্যবচ্ছেদে,
তাতেও ক্ষান্ত হই নাই, যন্ত্রণা চরমে উঠলেও না।
বলতে শিখিনি নিজের কাছে, আত্মসমর্পণ করেছি
হারতে মোটেও চাইনি, নিজের কাছে বারবার ।

আমি সমস্ত ভালোবাসাকে হারিয়ে দ্বারে দ্বারে মাগি,
কি ঘটেছিল, জানিনা তবে নিজের সংবৃত ফিরে পেতে ফকির, ওঝা, পীর, দরবেশ কিছুই বাদ রাখিনি প্রমাণে।
তারপর অলক্ষ্যে ঘটতে থাকে, ঘটনা একটার পর একটা
যে ভালোবাসা চিরতরে ধরা ছোঁয়ার বাহিরে গেছে চলে
কিভাবেই তা ফিরে এলো আমার‌ই রক্তে মাংসে মিশে।
আজও অবিশ্বাস্য কিন্তু সত্যি পেয়েছি তাকে হৃৎস্পন্দনে
এক মায়াবী সন্ধ্যায়, যখন তোমারই বেদনার ঘন্টা বাজে একদিকে মন্দিরে পূজা অর্চনা, অন্যদিকে আযানের ধ্বনি

সব খেলা খেলে ওই ব্রহ্মচারী, আমাদের অন্তরের বাসনায় তাইতো আবারো ভাবি, ফিরতে হবে ঘরে নতুন চেতনায়। আমারও হয়েছে ঢের দেরি, তারপরও আমি তোমাকে পাই যা তুমি দিয়েছো দুহাত ভরে, তুলে রাখি আপন মহিমায়।

১৩/০৮/২০২৩
নন্দিনী লুইজা
কন্যা পরে জননী
গভীররাতে লেখা আম্মাজির প্রস্থান, অঙ্গনার আগমন
দুইজন‌ই আমার অস্তিত্ব