নানুযে আমার ভিষন মেজাজি
তবু দরিদ্র দরদি অতুল
দিবা নিশি তিনি খোদার জিকিরে
রহিতেন মশগুল
গাঁয়ে বিলাতেন কত যে খাদ্য
গরিব দুঃখির মাঝে
স্থান দিতেন কত অসহায়ে
কত খাটাতেন কাজে
নানুর দুয়ার হতে কেউ কভু
ফিরে নাই খালি হাতে
হাড়ির খাবার ফুরালে বিলাত
যাহা নিত নিজ পাতে
চাল ডাল আর নুন মরিচ সহ
ছয়াবিন কেরোসিন
দান খয়রাত হয় নাই কিছু
ছিলনা এমন ‍দিন
সাথিদয় নিয়ে আড্ডা জুড়েছি
মন ভোলা কত সুরে
নানুর পায়ের শব্দ পেলেও
পালিয়ে যেতাম দূরে
নইলে বকিবে, বলিবে খবিছ
কুরআন পড়তে আয়
নানুরে সকলে বাঘের চেয়েও
করিত ভীষন ভয়
কখনো এতোটা আদরে ডাকিত
এরো আয়, মোর পান ডালা দে
মামীজি যা দিত,আমারে কহিত
শিগ্গির খেয়ে নে
কখনো, মালিশ মাজার অযুহতে
ডেকে ডেকে তবে কয়
ইয়াছিন সূরা মুখস্ত শুুনাবি
আয় মোর পাশে বয়
ফের কহে মোরে যাবিনা কোথাও
শুনবি আমার পড়া
মনে মনে ভাবি কেমন করে যে
কেটেই পড়িব ত্বরা
বৃদ্ধা হলেও সুরেলা কন্ঠে
শুনাত নবীর গান
দোয়া দরুদ আর তিলাওয়াতে তাঁর
অবাক হতো এ প্রান
কখনো নানুর শাসন ভয়ে লুকায়েছি
মামির আঁচল ছায়
সেই নানু আজি সমাধির তলে
ঘুমায়েছে নিরালায়।