রোজ ফজরের সময় সবাই ঘুমিয়ে রয়,
শুধু মসজিদের মুয়াজ্জিন উঠে যায়।
ওযু সেরে খোদার প্রদত্ত সুরে আযান দিতে আরম্ভ করে,
ও ভাই সে আওয়াজ শুনিয়াছো সবে,
ভাষায় বর্ণনা করিবার ক্ষমতা খোদা দেয়নি মোরে!
আযানের সুর কত সুমধুর তাহার পরিমাণ করিতে পারিতাম যদি,
তবে এ ভুবন ভেদে খোদার নিকট প্রত্যহ পাঁচবার গমন  করিতাম আমি!
মুয়াজ্জিনের ঐ আযানে অবলীলায় লুকিয়ে রয়েছে জান্নাতের শান্তি!
জানতে ইচ্ছে করে মুয়াজ্জিনের হৃদয় খুড়ে,কেমন করে পারে!
যখন ইন্দ্রিয় পাতে চিরবিস্ময়কর আযান ভাসে,
তখন মনে হয় খোদার আরশ ছেদে
এহোজগতের বুকের উপরে বসন্ত বয়ে চলেছে।
বিশ্ব-ধারিত্রীর কোলে বিশ্বনবীর উম্মতের উন্মাদনা জাগে,
মহামায়ায় মহাশূন্যের গ্রহ-উপগ্রহ নিঃশব্দে প্রতিমুহূর্তে কাঁপে।
অশান্ত হৃদয় খুজে পায় সময়ের সেরা নিরাময়!
অতঃপর নুরের ফেরেশতা দুয়ারে দাড়িয়ে সবাইকে ডাকে,
মুমিন লোকগুলো উঠে নামাজ পড়িতে যায়।
একসময় প্রভাতের দিবাকর গগনের কোণে নিরবে হাসে,
এমনি করে আজানের শেষে রোজ ভোর আসে।