প্রাণের সৃষ্টি থেকে বিবর্তনের ধারাপাত
হঠাৎ গেল ঠেকে।
বাগানে কীট দংশিত ফুলের কুঁড়িটা কে
দেখেছে কুমারী ‘সভ্যতা’ অপলকে।
হাসি ঝড়ে নি কুঁড়িটা র মুখে।
কুমারী কেঁদেছে দুখে।
যেদিন মানুষ শিখল আগুন জ্বালানোর কৌশল,
সেদিনই ঝলসে উঠলো অশনি র তরবারি।
মানুষ,বাঁধন ছাড়া উল্লাসে
ফাগুনের কোমলতা অনুভব করতে ভুলেছে।
পাষাণী মন পলাশ,শিমুলের রাঙা ফুল থেকে দৃষ্টি সরিয়ে
পতঙ্গের মতো ছুটল আগুনের লেলিহান শিখা র দিকে।
কুমারী টাকে তুলল চিতায়।
দেখ,সে দাউ দাউ করে জ্বলছে!