প্রিয়তমা,
আজ,গতকালের মতো আমার কর্ম ব্যস্ততা
ছিল না।সকালে ঘরে জানালার পাশে বসে
দেখি,একটি অচেনা বল্লী ঠিক আমার পাশে
দুর্বল খুঁটি ধরে যেন নিরাপদ আশ্রয় খুঁজতে
বের হলো।
যখন একা বসে থাকি,আমার ও মনে জাগে
তেমনি অনুভূতি।এখন প্রাণী ও উদ্ভিদ দের
সঠিক বাসযোগ্য ও নয় এই পৃথিবী।রোজ
ভাবি,এর জন্য মানুষই দায়ী।
ভেবে দেখো,আমরা আছি যেন ভগ্ন-সেতুর
উপর।পিছনে অতীত,সামনে ভবিষ্যৎ।এখন
এই সেতুটি পেরিয়ে যাওয়া কষ্টকর।মানুষ
নাড়লো এই সেতুর খুঁটি।আগেও মনুষ্য সৃষ্ট
প্রাকৃতিক বিপর্যয় হয়েছে বহু বার।প্রতিবার
মানুষ হয়েছে চরম বিপর্যয়ের স্বীকার।তবুও
পরিবর্তন হয়নি মানুষের ভাবনার।
প্রিয়তমা,সাপ ও নেউলের লড়াই দেখেছ।
এখন মানুষ ও করোনার যে লড়াই চলছে
সেটি ও ঠিক তাই।কেহ জানে না,এ-লড়াই
এর শেষ কোথায়!  
নীরবে নিভৃতেই ভাইরাসের প্রসার ঘটছে
অন্তঃসলিলা নদীর মতন।যখন ঘরে ঘরে
দেখা দিলো জ্বর,কাশি,গলা-ব্যথা,প্রথমে
মানুষও বোঝেনি।সেটাই ছিল মহামারীর
পূর্ব লক্ষণ।
সরকার বুঝলো যখন,দেশ জুড়ে ঘোষণা
করলো লক ডাউন।স্তব্ধ হলো জন জীবন।
মহামারীর দাপটে এখন বন্ধ দোকানপাট,
হাটবাজার।পথ ঘাট শুনশান।কেবল খোলা
ওষুধের দোকান।
পথে রাতদিন পুলিশ টহল দিচ্ছে।বিশেষ
কোন প্রয়োজন ছাড়া কেহ পথে করছে না
চলাচল।দেখছি,সাইরেন বাজিয়ে ছুটছে
পুলিশের গাড়ি।ভেতরে অতন্দ্র প্রহরী।তাই
দেখে আতঙ্কে নড়ছে সবার নাড়ি-ভুঁড়ি।
সারা দেশে এক অবস্থা।যথাযথ ব্যবস্থা নিও
সংসারে।এখন এখানেই শেষ করছি।