এইভাবে তাকিয়ে থেকোনা; বরং
আমাকে তোমার দৃষ্টি-সীমার বাইরে যেতে দাও
ধরতে দাও ভুল পথের বাস
খেতে দাও ভুল দোকানের চা
ভুল রমনীর আঁচল দিয়ে মুছতে দাও-
অপ্রসন্ন কপোলের ঘাম।


এইযে এতোক্ষণ ভাবছো
এমন হাবিজাবি চিন্তার রেশ কাটিয়ে উঠতে
সামনের সপ্তাহে করতে হবে হাওয়া বদল।
চিরাচরিত খাদ্যাভ্যাস ছেড়ে
আজ থেকে রোজ রাতে খেতে হবে ঘাস!
সামনের বছর প্রজননক্ষম হতে হবে
পেলে পুষে পুষ্ট করতে হবে নবজাতক!  


আমি কোথায় যেতে পারি বলো?
না পারি তোমার দৃষ্টিসীমার বাইরে
না পারি চিন্তার বাইরে।
এই অপ্রতিরোধ্য রোদের দিনে
আমি সীমার বাইরে যেতে যেতে
ক্রমশ তোমারই সীমার ভিতরে চলে আসি।


আমি আর কোথায় যেতে পারি বলো?
দুই বিঘা আলিঙ্গন মাড়িয়ে যেতে যেতে
আমি তোমার চার বিঘা আলিঙ্গনেই এসে পড়ি।
নরম করতল, ঊরুর ঠিক কাছটা
আলতো করে চুলকে দিতে গিয়ে
বুকে, ঠোঁটে তুলে ফেলি শীৎকারের ঝড়!


তাহলে এইটুকুই থাক; না হলে
আমি ঠিকই কামজ্বরে পোড়ে যাবো।
যদি না বেড়িয়ে যাই নাভীর ঠিক পাশ দিয়ে
ঠিকই হয়ে পড়বো নামহীন, অবজ্ঞাত
বেনামি পাগলির সাথে ঘুরবো রাস্তায়
কাটবো খড়কুটো, ধর্ষিত আঙুলের নখ
ছোঁয়ে ফেলবো জীবাণুবাহী অমসৃণ যোনি!


তবে দৃষ্টিসীমা থেকে অভিজাত দৃষ্টিকে ফিরিয়ে নাও
কামের জঠর থেকে উঠিয়ে নাও ভাবনাজাত প্রেম।
আমি প্রেম নয়
আমি ভালোবাসা নয়
আমি প্রেমের মতো
আমি ভালোবাসার মতো
একটি আটপৌর ঘটিবাটি ঘরে বাঁচতে চাই।