গতির তাড়নায় আজ গপ্পোগুলো হতক্লান্ত,
কেষ্টমালী স্কুলে এখন আর ঘন্টা পেটায় না।
সিলেবাস বদলায় আর বদলে যায় রুটিনও..
সেই কবে এক মহানকবি হেডমাস্টার ছিলো,
মনেও পড়ে না আজ। এখন অফ পিড়িয়ডে ;
তাঁর স্মৃতিসৌধের তলায় দেখি কপোতকপতী।


বিদ্যালয় বয়সে সিনিয়র সিটিজেন তো বটেই,
মিনমিনে শান্ত লাইব্রেরীটাও ছলছল কলকল,
বিশাল দেয়ালজুড়ে কৃষিজ বা খনিজ সম্পদ চিত্র ,
প্রাচীন প্রধানশিক্ষকের হাতের কিছুটা কারুকাজ,
এখন কোন কাজে লাগে না, দেখার সময় কই?
আজকের রীতি তো কোনমতে খাতায় উগরানো।


শকুন্তলা বিরহ যন্ত্র‌না পার করে, বর্তমানে দেখি -
কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে নতুন রইসদের নদীর পারে।
মোবাইলে যখন তখন রাজকুমারীরা এসে হাজির,
ঠিক যেন স্মার্টফোনের মতই চলে হাতের বদল,
এবারে নেমে আসে সংসারে দায় বদলের পালা,
একসময় এক কাঁধ চিন্তার হঠাৎ ভীড়, দল বদল ...


প্লাটফর্ম ছেড়ে এগিয়ে যায় ট্রেন, পেছনে অতীত,
সেখান থেকে ভিসা, শেষে পাসপোর্টে এরোপ্লেন,
গতিশীল জীবনে হঠাৎ পেছনে তাকালেই কিন্তু -
দুর্ঘটনা অবশ্যম্ভাবী।  তাই দৃষ্টি স্থির,  সামনেই...
চিন্তা তফাতে দেখি আজ আর একজন নদীতীরে,
কয়েদীর পোশাক বোধহয় হবে তার শেষ ঠিকানা..