তুমি অনন্যা,
তুমি অসীম,
তুমি ই শেষ অশ্রুবিন্দু,
তুমি ই অবাধ হাসি সীমাহিন।
তুমি অল্পের মাঝে,
ঠিক সব্টুকু।
ব্যাস্ততাময় দিন, কিম্বা গুনগুন করে গেয়ে ওঠা,
গানের কলিটুকু।
তুমি আধারের ছায়া, তুমি আলোর মায়া।
তুমি আষার মাসে বৃষ্টি মেয়ের,
নুপুর খেলার ছন্দ।
তুমি ঘুমের মাঝের পাতালপুরি,
স্বপ্নে আঁকা ফুলের কুড়ি,
অদ্ভুত মুখবন্ধ।
তুমি অপরাধ মাখা অবাক দৃষ্টি,
তুমি বিধাতার অপরুপ এক সৃষ্টি।
তুমি ই বোকা ছেলেটার
মুখ লুকিয়ে আঙ্গুলের ফাক দিয়ে দেখা
প্রথম মেয়ে।
সেই প্রথম কান ধরে দারিয়ে থাকা।
অপরাধ?
ছিল তোমার পানে চেয়ে।
তুমি ক্লাসের সবচেয়ে ভদ্র ছেলেটার,
বৃষ্টিতে ভিজে, কিম্বা
তোমার বারি থেকে মাত্র ১৫ হাত
দুরের ছাউনিটায়,
দারিয়ে থাকা দিন।
তার সকল রহস্য,
খারাপ রেজাল্ট আর জ্বরের মিনিং।
তুমি ই তার প্রথম বলা,
বোকা বোকা ভালবাসার সংলাপ গুলোর
একমাত্র শ্রোতা।
তারপর তোমার উত্তরের আসায়,
ভয় জড়ানো সেই ফ্যালফ্যাল চাহনি মাখা
বিচ্ছিরি হাসির সরলতা।
আবার তোমাকে একদিন না দেখলে,
বাবা মা এর কাছে,
ছেলের যুক্তিহীন ক্ষিপ্রতা,
তুমি, স্কুল ছুটি হতে না হতেই,
দৌড়ে গিয়ে
গেটে দাড়িয়ে যাওয়ার তিব্রতা।
তুমি আর কেউ নও,
সপ্নের পরশ মাখা,
কবির তুলিতে আকা,
অদ্ভুত চারুলতা.…