জাগৃতির কবিতা

জাগৃতির কবিতা
কবি
প্রকাশনী অনন্য প্রকাশন
সম্পাদক কবি
প্রচ্ছদ শিল্পী শ.ই. মামুন
স্বত্ব কবি
প্রথম প্রকাশ ফেব্রুয়ারি ২০২২
সর্বশেষ প্রকাশ ফেব্রুয়ারি ২০২২
সর্বশেষ সংস্করণ 17-02-2022
বিক্রয় মূল্য ২০০ টাকা মাত্র

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

‘জাগৃতির কবিতা”, অনন্য সৃজন-সন্দীপনা

তারুণ্য-সমুজ্জ্বল কবি শ্যামলকুমার সরকার অন্তর-মগ্নতার জ্যোতিতেই সমুদ্দীপ্ত। মনন-সংহতির ঔজ্জ্বল্যে সন্তুষিত তাঁর সৃজন-বৃত্ত। প্রেম-গুণ, ন্যায়-সংহত জীবন- বিজ্ঞান, শুদ্ধতার তৃষ্ণা, কল্যাণ-দর্শন-অভীপ্সা তাঁর সৃজন-অভিদীপ্তির পারাবত যেন। তাঁর কবিতাগ্রন্থ 'জাগৃতির কবিতা'-র বিনীত-বিস্তারণে এমন গুণ সঞ্চয়নেরই সন্দীপনা। আয়ুষ্মান শৈলী-প্রকরণে সজ্জিত হয়েছে কবির বিনয়- বিভূষিত কথামালা !

কবির সৃজন-মগ্নতায় 'ভালোতে থাকা'-র পরাগ-বিভূতিই ভাস্বর। তাঁর দীপ্তিমান উচ্চারণ 'মা-মাটিরে ভুলবে যেই, ভুলবে একদিন সবারে।' অস্তিত্বের আলপনা যেন! দেশ-দীপনার মুগ্ধতা কবির আলাপনে, মানবিক প্রেরণাশুদ্ধি কবির সৃজনে- 'মানবিকতার হাত ছাড়ে যে, পশুর কুলেও সে।' বস্তুতঃ 'শুদ্ধতার মানে পুঁতবোধে- ই সঞ্জীবিত তাঁর সম্যক প্রকাশ ধৃতি। কল্যাণ-দর্শন-স্পৃহাই কবির সুমগ্ন মনন- আয়তনের সত্যায়ত দিশা।

কবির ধ্যানায়তনে উজ্জ্বলতর স্বর্ণযুগ'-এরই আবাহন। 'সাধুতা', 'মহাসংঘম' ই তাঁর হৃদয়-সংবেদনার পরিব্যাপ্তিতে সংরক্ষিত। তাই তো বাণীরূপ কবিতা- জ্যোতি-সকল কাজেই সুকেন্দ্রিকতা চাই"। মূলতঃ শিল্পায়ন আর জীবনায়ন কবির আত্যন্তিক বিবেকিতায় হয়েছে সঞ্চারিত। অনন্য তাঁর সৃজন-পিপাসা।

প্রফেসর ড. সন্দীপক মল্লিক,

সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ঢাকা; প্রাক্তন চেয়ারম্যন, ঝিনাইদহ ও পাবনা ক্যাডেট কলেজ; প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি, বাংলাদেশ সৎসঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদ; প্রতিষ্ঠাতা-মহাপরিচালক, মাটি-মা মণীন্দ্র-সাবিত্রী কল্যাণ-ট্রাস্ট; গবেষক ও কথক, মুক্তিযুদ্ধ ও গণহত্যা-গবেষক, গীতিকার, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতার; কবি ও জীবনজাগরণী সঙ্গীতশিল্পী: সামাজিক- সাহিত্যিক-সাংস্কৃতিক সংগঠক।

ভূমিকা

কিছু কথা

খড় দিয়ে বানানো একখানা চালাঘর ছিল আমাদের। রাতে যখন শুয়ে পড়তাম, চাঁদের আলোটা চোখে এসে পড়ত, আর, অনেক বড়ো এক স্বপ্ন জাগিয়ে যেত। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত ওই চালাঘরের নিচে থেকেই পড়েছি। পড়ার জন্যে বসতাম একটা তুষভরা পাটের বস্তার ওপর। পড়ার প্রিয় বই ছিল বাংলা অভিধান। শব্দ পড়তেই ভালো লাগত বেশ। তখন আমি সপ্তম শ্রেণিতে, একদিন মিতুদি বলেছিল, কী দিয়ে খেয়েছিস? বললাম, তৈরি করেছে বড়া, নিয়ে কুমড়ো ফুল/সাথে দিয়েছে খেতে আমায় সিদ্ধ তণ্ডুল /। তরুণ মানে ভাত, অভিধানে পড়েছিলাম। যাইহোক, ওই হলো কবিতার প্রথম সৃষ্টি। পরে, একবার বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দীর্ঘ বক্তব্য পদ্যভাষায় আপন মনে দিয়েছিলাম। তখনকার লেখা একগাদা কবিতা হারিয়ে গেলে, আর লেখা হলো না। তারপর কবি দুলাল সরকার স্যারের প্রেরণা আর প্রাবন্ধিক কামাল আহমেদ ভাইয়ের প্রেরণা নিয়ে আবার লিখতে শুরু করি।'জাগৃতির কবিতা' আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ।

মানুষের জীবন অস্তিত্বমুখী হোক, এই প্রত্যাশা নিয়েই লিখে চলছি; বাংলাদেশ একটি মহান রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের কাছে পরিচয় বহন করুক, বাংলাসাহিত্য হোক উৎসমুখী ও জীবনীয় সাহিত্য, এই আমার একমাত্র চাওয়া।

-শ্যামলকুমার সরকার
কবি / লেখক

উৎসর্গ

পূজনীয়া মা-কে

আমার সে চিরায়ত স্নেহছায়া তুমি
পূরণের পূর্ণ প্রতিকৃতি!