রাতে খোলা মাঠে আকাশের নীচে নিশ্চুপে দাঁড়ালে
আকাশকে খুব আপন আপন মনে হয়
সন্ধ্যা বিশাখা রেবতি অরুন্ধতী ওদেরকে
প্রেয়সী প্রেয়সী মনে হয়, মনটা পুলকে ভরে যায়
সপ্তর্ষীমণ্ডল যেন পরাণের দোস্ত হাত ধরে সারা মাঠ হাঁটি
নীল ধ্রুবতারাটায় চোখ পরলেই সোমালীর মুখ ভেসে ওঠে
আসলে ওদের সাথে মাটির কোনোও সম্পর্ক নাই
তবুও অন্যরকম একটা আবেগ কাজ করে ভিতরে ভিতরে
এমাটির তারাদের খুঁজে পাওয়া খুব একটা ভার
আহা! কী কঠিন সময় পার করে যেতে হয়...


তোমাদের কেউ একজন আমার মাথায় বটচারাগাছ
বসিয়ে দাও শেকড়ঝুরি সারাটা শরীর প্যাঁচিয়ে প্যাঁচিয়ে
মাটিতে প্রোথিত হোক, আমি আস্ত বটগাছ হয়ে যাই
কৃষক গামছা মাথার নীচে দিয়ে দিনের ক্লান্তি মুছে ফেলুক
ক্লান্ত রাখাল ঠেস দিয়ে বাঁশের বাঁশিতে মধুর সুর তুলুক
পাখপাখালীর কলতানে মুখরিত হোক চরাচর
পাকা বটফলে নিবৃত্ত হোক ক্ষুন্নিবৃত্তি, পাতার আড়ালে
শান্তির পরশে ঘুমাক নিশ্চিন্তে...


তোমার বোধের কাছে হতে পারে অলিক ব্যাপার
ধারণা সঠিক
কঠিন সময়
ঠনঠনে মাঠে আমি এখন পচাশামুক...