ধরণীর বুকে মানুষের কাজে ব্যস্ত ছিলেন যিনি,
গ্রামে-গঞ্জে সর্বত্র শোনা যাচ্ছে তার মহত্ত্বের ধ্বনি।

রঙের দুনিয়ায় খেলার ছলে কাটে নি তার বেলা,
তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যে মানুষের প্রতি করেননি অবহেলা।

ঐশ্বরিক আদর্শে অটুট থাকতেন ন্যায় বিচারের কাজে,
মানুষের মনের মণিকোঠরে তারই ঝংকার বাজে।

বিচার করতেন হাদিয়া ছাড়া ধারতেন না কারো ধার,
ন্যায়ের পক্ষে অন্যায়কে তিনি করতেন পরিহার।

মৃত্যুর সংবাদে অগণিত মানুষের কেঁদে ওঠে মনপ্রাণ,
সবার মুখে শোনা যায় তার সততার জয়গান।

উত্তম আদর্শের ভালো মানুষ, পাশে থাকতেন সবার দুখে,
আমানতধারীর দৃষ্টান্ত তার ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে।

বুঝিয়ে দিলেন নবীর আদর্শ মনুষ্যত্বের মূলধারা,
আমানত যেন খেয়ানত না হয় কোন মানুষের দ্বারা।

মানুষের মঙ্গলে মানুষ থাকবে অতন্ত্র প্রহরী,
তার চেয়ে বল কে আছে মহৎ, আছে কি তার জুরি?

জীবদ্দশায় যে মানুষেরা সততাকে লাগিয়েছেন কাজে,
আহমদুল হক সাহেবের কাছে মানুষ তা পেয়েছে খুঁজে।

মাখলুকাতের মধ্যে ভালো মানুষ রূপে আজ যারা গণ্য,
মানবতার সেবায় তাদের ন্যায় জীবন যেন হয় ধন্য।

                          ---সমাপ্ত---
(রচনাকালঃ-১৫/০৩/২০২০)