শ্রান্ত সরোবরে চাক্ষুষ নয়নকমল
বাসনা বিঁধেছে মঞ্জরির বক্ষে,
দাঁড়িয়ে আছে ভ্রমর শুক্ল পূর্ণিমা বলয়ের স্পর্শ ঢেকে,
স্পর্ধা নিয়ে বেড়ে উঠেছে মক্ষিকা সুধা পারাবারে ;
অনন্ত মন্থনে গ্রহন করেছে কামিনীর প্রত্যাবর্তনের সুবাস।
শুকতারা ঈষৎ মিট মিট করছে রোহিণীর নোলকে!
যামিনী কান পেতে আছে নিরবধি সুধা সুর  অন্বেষণে;
সম্মোহনে আলিঙ্গন করেছে যেন দখিনা সমীরণের মায়া
আদ্র শতদল নিমজ্জিত বরিষ পরশ পানে,
শ্রবন করে সুধা তরঙ্গিনী,
দৃষ্টির অগোচরে আহবান পৌছায় -
নীলাভ গগনের মেঘপুঞ্জে।
অজ্ঞাতসারে, মেঘের অভিমানে আবৃত চাঁদ যেন কেড়ে নিয়েছে নিশীথের সকল চঞ্চলতা ;
সরোবর জুড়ে বিরাজ করছে কেবলই বসন্তের উচ্ছলতা,
ম্রিয়মাণ জাতিস্মর বিস্ময়ে অভিশ্রুতির ডাকে বহমান সুধা স্রোতোস্বিনী!
শুভ্র হংসের দল জলকেলিতে মগ্ন যেথায় সুধা  আঁচল-ডোরে তাদের বসবাস ;
মল্লিকা কাননের আড়াল থেকে দৃশ্যমান সজল সুধা তটিনী সকাতরে প্রবাহিত করেছে যাপিত অভিলাষ।



৩০ চৈত্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
রাজারহাট, পিরোজপুর।